শেষ আপডেট: 2 March 2020 11:03
রবিবারের এই ঘটনায় প্রতিবাদী কৃষকদের দাবি, তাঁদের জমি দখল করে সরকারি প্রজেক্ট চলবে না। জমি যদি নিতেই হয়, তাহলে সংশোধিত জমি আইন মেনে নিতে হবে এবং উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। এর আগে জানুয়ারি মাসেই তাঁরা এই জমি সমাধি সত্য়াগ্রহ করেছিলেন জমি দখলের প্রতিবাদে। কিন্তু চার দিনের মাথায় তাঁদের অবস্থান উঠে যায়, কারণ রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি দেয়, ৫০ দিনের মধ্যে তাঁদের দাবি খতিয়ে দেখা হবে।
কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও সরকারের তরফে কোনও হেলদোল দেখা যায়নি। তাই ফের একই পদ্ধতিতে জমি সমাধি সত্যাগ্রহ শুরু করেছেন তাঁরা। নিন্দার বাঁচাও যুব কিষান সমিতির নেতা নগেন্দ্র সিং দেবনাথ বলেন, "রবিবার থেকে ২১ জন কৃষক প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। সরকার দাবি না মানলে ৫১ জন এভাবেই সমাহিত হবেন। কৃষক সুরক্ষার অধিকার যতক্ষণ না নিশ্চিত করছে সরকার, ততক্ষণ এই আন্দোলন চলবে।"
https://twitter.com/ANI/status/1234416856926044162তবে এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে রাজস্থানের এই কৃষকদের ১৩০০ বিঘারও বেশি জমি অধিগ্রহণের অভিযোগ উঠেছিল এই জয়পুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির বিরুদ্ধেই। সে সময়ে অনশনে বসেছিলেন প্রতিবাদী কৃষকরা। এর পরে স্থানীয় আদালতের হস্তক্ষেপে ৬০০ বিঘা জমি রেখে বাকিটা ফিরিয়ে দেয় সরকার। ক্ষতিপূরণও ঘোষণা করে ৬০ কোটি টাকার। যদিও এই অর্থ নিতে অস্বীকার করেন কৃষকরা। তাঁরা দাবি করেন, বাজারচলতি দামের চেয়ে অনেক কম টাকা দিয়ে তাঁদের জমি ঠকিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সেই থেকে বিতর্কের অবসান হয়নি। আবার নতুন করে জমি অধিগ্রহণের পদ্ধতি শুরু হতে, জমি সমাধি সত্যাগ্রহের পথে হেঁটেছেন কৃষকরা।
জয়পুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির আওতায় ২০১১ সালে এই গৃহনির্মাণ প্রকল্পের কথা ঘোষিত হয়েছিল। জানানো হয়েছিল, ১০ হাজার বাড়ি তৈরি হবে এই প্রকল্পে। কিন্তু ন'বছর হয়ে গেল, এখনও জমি সমস্যারই সমাধান হয়ে ওঠেনি।