দ্য ওয়াল ব্যুরো : তিন বছর আগে ডিএমকে নেতা এম করুণানিধি দল থেকে দূর করে দিয়েছিলেন বড় ছেলে এম কে আলাগিরিকে। মৃত্যুর আগে পরিষ্কার বলে গিয়েছেন, তাঁর অবর্তমানে দলের শীর্ষ নেতা হবেন ছোটছেলে এম কে স্তালিন। কিন্তু পিতার মৃত্যুর কয়েকদিন পরে তাঁর সমাধিস্থলে সোমবার দেখা গিয়েছে আলাগিরিকে। তিনি দাবি করেছেন, ডিএমকে-র সংখ্যাগরিষ্ঠ কর্মী-সমর্থক তাঁকেই নেতা হিসাবে চান।
মঙ্গলবার বসছে ডিএমকে-র শীর্ষ বৈঠক। কথা আছে সেখানেই স্তালিন আনুষ্ঠানিকভাবে দলের নেতৃত্ব দাবি করবেন। তার আগে হঠাৎ আলাগিরি উদয় হওয়ায় বৈঠক ঘিরে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
আলাগিরি ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আচমকাই দলের বিরুদ্ধে গিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থন করে বসেন। তখন করুণানিধি তাঁর ওপরে ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন। ডিএমকে যখন বিজয়কান্তর ডিএমডিকে-র সঙ্গে জোট বাঁধতে যাচ্ছে, তখনও তিনি তীব্র বিরোধিতা করেন । বিরক্ত হয়ে করুনানিধি বড় ছেলেকে দল থেকে সাসপেন্ড করে দেন । গত বিধানসভা নির্বাচনে আলাগিরি তামিলনাড়ুর দক্ষিণের জেলাগুলিতে ডিএমকে-র বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তাঁর জন্য অনেক জায়গায় করুণানিধির প্রার্থীরা এডিএমকে-র কাছে হেরে যান।
দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরে আলাগিরিকে বিশেষ প্রকাশ্যে দেখা যেত না । মেরিনা বিচে করুণানিধির শেষ কৃত্যের সময় বহুদিন বাদে তাঁকে দেখা যায় । তাঁকে ফের দেখা গেল সোমবার ।
তথ্যাভিজ্ঞ মহলের খবর, ৬৭ বছরের আলাগিরি চান, তাঁর ছেলে দয়ানিধি আলাগিরিকে ডিএমকে ট্রাস্ট ও মুরাসলি ট্রাস্টের সদস্য করা হোক । এখন স্তালিনের ছেলে মুরাসলি ট্রাস্টের কর্ণধার । ওই ট্রাস্টের টাকায় দলের মুখপত্র মুরাসলি প্রকাশিত হয়।