
শেষ আপডেট: 18 February 2024 18:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঠিক একইভাবে নিজের জীবনের শেষ ম্যাচে আবেগ দেখিয়েছিলেন শচীন তেন্ডুলকার। মুম্বইয়ের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে পিচকে চুম্বনকে করেছিলেন শচীন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের সেই মুহূর্ত ক্রিকেট প্রেমী ভারতীয়রা ভোলেননি।
রবিবার সাধারণ একটা রঞ্জি ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখল মনোজ তিওয়ারির অবসরের মুহূর্ত। তিনিও জিতে মাঠ ছাড়লেন দলের অধিনায়ক হিসেবে। আর মাঠে নেমে ইডেনের বাইশগজে প্রণাম সারলেন ও একইসঙ্গে চুম্বনও করলেন ডাকাবুকো ক্রিকেটার। যিনি একাধারে আবার তৃণমূলের বিধায়ক, রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও।
শচীনের শেষ ম্যাচেও জিতেছিল ভারতীয় দল। সেটি ছিল টেস্ট, আর মনোজকেও শেষ রঞ্জি ম্যাচে জয় এনে দিলেন সতীর্থরা। বিহারকে শেষ গ্রুপ ম্যাচে বাংলা হারাল ইনিংস ও ২০৪ রানে। এই ম্যাচে মনোজের অবদান ৩০ রান। চোখের জলে মাঠ ছাড়লেন তিনি। ৩৮ বছর বয়সে ব্যাট, বল ও গ্লাভস তুলে রাখলেন এই নামী ক্রিকেটার।
একটা সময় শচীনের মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে রঞ্জি ফাইনাল ম্যাচে মনোজ তিওয়ারির দুরন্ত ইনিংস দেখে শচীনই বলেছিলেন, ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন তারকা। তারপর জাতীয় ক্রিকেটের রাজনীতিই মনোজকে বারবার পিছনে ঠেলে দিয়েছে।
যিনি চেয়েছিলেন রঞ্জি জিতে অবসর নেবেন। সেই আক্ষেপ থেকে গেল। যেমনটা রয়ে গেল ভাল খেলেও জাতীয় দলে তেমন প্রতিষ্ঠা পাননি। রায়নারা যেভাবে এগিয়েছেন, মনোজকে ধোনিরা সেই সুযোগ দেননি। তাই এদিন ধোনির বিরুদ্ধে মুখও খুলেছেন। বলেছেন, আমি কেন সুযোগ পাইনি ভাল বলতে পারবেন ধোনি, তাঁকে এই নিয়ে প্রশ্ন করবেন!
মনোজের শেষ ম্যাচে বাংলার হয়ে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। আর বল হাতে কামাল করেছেন জাতীয় দল ফেরত পেসার মুকেশ কুমার, দুই ইনিংস মিলিয়ে নিলেন দশ উইকেট।