দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছর তিনেক আগে যখন তিনি রিয়ালে ছিলেন তখন মাদ্রিদের একদল চিকিৎসক তাঁর স্বাস্থ্যের খুঁটিনাটি তুলে ধরেন। রিপোর্টে দেখা যায় রোনাল্ডোর বডি ফ্যাট ৭ শতাংশ। আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের যা গড়ে ১১ শতাংশের উপর থাকে।
অন্যদিকে মাসল মাসের হার ৫০ শতাংশ। আর পাঁচজন খেলোয়াড়দের যা ৪৬ শতাংশ ছোঁয় কিনা সন্দেহ। আর এতকিছুর পর তাঁরা নিদান দেন, বয়স ৩৩ হলে কী হবে! শারীরিক সক্ষমতায় রোনাল্ডো একজন ২৩ বছরের উঠতি প্লেয়ারের মতোই সচল, সমর্থ।
চিকিৎসকেরা যে সেদিন ভুল বলেননি, সেটার আরও একবার প্রমাণ মিলল গতকাল। আজ, ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ন'টায় ইউরোর 'গ্রুপ অব ডেথে' হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে নামছে পর্তুগাল। তার জন্য সোমবার কোচ ফার্নান্দো সান্তোসকে নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রোনাল্ডো। কনফারেন্স টেবিলে জলের বোতলের পাশে রাখা ছিল দু'বোতল কোক।
চেয়ারে বসার আগেই রোনাল্ডোর চোখ টেবিলে যায়। সেখানে কোকের বোতল দেখামাত্র মনে মনে বিরক্ত হন তিনি। হাবেভাবে সেটা ফুটেও ওঠে। তারপর সময় নষ্ট না করেই বোতল দু'টি ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল থেকে দূরে ঠেলে দেন রোনাল্ডো।
দেখুন ভিডিও।
https://twitter.com/i/status/1404522910107291650
গোটা ঘটনায় খানিক অবাকই হন সকলে। হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে থাকেন খোদ ম্যানেজারও। তারপর জলের বোতল উপরে তুলে সিআর সেভেন বলেন, 'আগুয়া'। পর্তুগিজ ভাষায় যার অর্থ জল। অর্থাৎ, ঠারেঠোরে তিনি বোঝাতে চাইলেন, জল খাও, কোক নয়।
এর আগেও জাঙ্ক ফুড, সফট ড্রিঙ্কস নিয়ে নিজের অপছন্দের কথা জানিয়েছিলেন রোনাল্ডো। এই নিয়ে নিজের ছেলেকেও কড়া শাসনে রাখেন তিনি। একবার একটি সাক্ষাৎকারে রোনাল্ডো বলেন, 'আমার ছেলে প্রায়শই চিপস, ফান্টা, কোকা-কোলা খায়। আমি এটা একদম বরদাস্ত করতে পারি না।'