দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত এক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছিল। মোহনবাগান সমর্থকরা রোজই খোঁজ রাখছিলেন হাইতিয়ান তারকা সনি নর্ডির পায়ের অবস্থা নিয়ে। শুক্রবার পর্যন্ত আশা-আশঙ্কার দোলাচলে থাকলেও, ডার্বির আগের দিন সকালে খোলসা করে বলে দিলেন মোহনবাগান কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী। রবিবাসরীয় ডার্বিতে খেলবেন না সনি।
শনিবারের প্র্যাক্টিসেও মাঠের ধারে দাঁড়িয়েই কিংসলে, ডিকাদের অনুশীলন দেখলেন সনি। কয়েক পাক হেঁটে সাইডলাইনে বসে সতীর্থদের অনুশীলন দেখেন বাগানের প্রাণ ভ্রমরা। কিন্তু কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “খেলার অবস্থাতে নেই সনি। নামালে সেটা ওঁর কেরিয়ারের পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে যাবে।”
প্রসঙ্গত, গত মরসুমেও চোটের জন্য আইলিগের মাঝ পথে ছিটিকে যেতে হয়েছিল তাঁকে। তাঁর বদলে মাঝ মরসুমে নেপালের বিমল ঘারতিকে সই করিয়েছিল বাগান। চোখের জলে ক্লাব ছেড়েছিলেন সনি। তারপর অস্ত্রোপচারের পর আর্জেন্টিনায় দীর্ঘদিন রিহ্যাবে ছিলেন সনি। মাঝে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, পুরনো গুরু সঞ্জয় সেনের হাত ধরে এটিকে-তে যেতে পারেন তিনি। কিন্তু না। বাগান সমর্থকদের আবেগকে সম্মান দিয়ে ফিরে এসেছিলেন গঙ্গাপারের ক্লাবেই।
কলকাতা লিগের ডার্বির সময় ছিলেন না দলে। আই লিগের ডার্বিই ছিল তাঁর কাছে প্রথম। কিন্তু সেই ম্যাচে মাঠে নামা হচ্ছে না তাঁর। যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রঙ বদলে দেওয়া সনির না থাকা নিঃসন্দেহে মোহনবাগানের কাছে বড় ধাক্কা। উল্টোদিকে ইস্টবেঙ্গলও বিদেশি সমস্যায় জর্জরিত। আমনার চোটের কারণে দল থেকে বাদ পড়া। তারপর মেক্সিকান এনরিকের চোট। সব মিলিয়ে বিপাকে লাল-হলুদ। যদিও কোলাডোকে সই করিয়ে মাঝ মাঠের ক্ষততে প্রলেপ দিতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল কোচ। কিন্তু সনির না থাকাকে অ্যাডভান্টেজ হিসেবে দেখছে না ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্ট। এক কর্তার কথায়, “কে খেলবে, কে খেলবে না, তা ঠিক হয় ম্যচের এক ঘণ্টা আগে।”