
শেষ আপডেট: 18 January 2019 10:46
স্টয়নিসও ১০ রান করে চাহালের শিকার হন। ম্যাক্সওয়েল ও পিটার হ্যান্ডসকম্ব কিছুটা পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজনের মধ্যে ম্যাক্সওয়েলকেই বেশি আক্রমণাত্মক দেখাচ্ছিল। কিন্তু শামির বাউন্সারে ভুবনেশ্বর কুমারের দুরন্ত ক্যাচে ২৫ রানের মাথায় প্যাভিলিয়নে ফেরেন ম্যাক্সওয়েল।
একমাত্র পিটার হ্যান্ডস্কম্বই কিছুটা ভালো ব্যাটিং করেন। কিন্তু হাফসেঞ্চুরি করার পরেই চাহালের বলে এলবিডাবলু হয়ে ৫৮ রানের মাথায় ফিরে যান হ্যান্ডসকম্ব। তারপর আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি। ৪৮.৪ ওভারে মাত্র ২৩০ রানে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১০ ওভারে ৪২ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন লেগস্পিনার চাহাল। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার ও মহম্মদ শামি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রোহিত শর্মার উইকেট হারায় ভারত। শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়েন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সাবলীল ব্যাটিং করছিলেন বিরাট। অন্যদিকে শিখর কিছুটা ধীরগতিতে ব্যাট করছিলেন। কিন্তু স্টয়নিস বল করতে এসে প্রথম বলেই ২৩ রানের মাথায় ধাওয়ানের উইকেট নেন। পরের বলেই পয়েন্টে ধোনির ক্যাচ ছাড়েন ম্যাক্সওয়েল। এই একটা ক্যাচই ম্যাচ হারিয়ে দিল অস্ট্রেলিয়াকে।
প্রথমে অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়েন কোহলি। এ দিন শুরু থেকেই অনেক বেশি আক্রমণাত্মক দেখাচ্ছিল ধোনিকে। দুজনেই সাবলীল ব্যাটিং করছিলেন। মেলবোর্নের বড় মাঠের সুবিধা নিয়ে ২-৩ রান সহজেই আসছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত ৪৬ রানের মাথায় রিচার্ডসনের বাইরের বল মারতে গিয়ে আউট হন বিরাট।
কিছুটা ধীরে খেলার জন্য আস্কিং রেট বাড়ছিল। কিন্তু ধোনি একদিকে ধরেছিলেন। তাঁকে দুরন্ত সঙ্গ দেন কেদার যাদব। বোলার অনুযায়ী খেলছিলেন দুজনে। কোনও তাড়াহুড়ো দেখা যাচ্ছিল না। এরমধ্যেই চলতি সিরিজে নিজের তিন নম্বর হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ধোনি। বাউন্ডারি বেশি না এলেও দৌড়ে রান আসছিল।
অন্যদিকে সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা কেদার যাদবকেও যথেষ্ট মজবুত দেখাচ্ছিল। নিজেদের মধ্যে ১০০ রানের পার্টনারশিপও পূর্ণ করেন দুজনে। শেষ দিকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখা গেল কেদার যাদব ও ধোনির ব্যাট থেকে। এরমধ্যেই নিজের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন অনেকদিন পর খেলতে নামা কেদার যাদব।
শেষ ওভারের শুরুতেই জয় তুলে নিলেন ধোনি-কেদার জুটি। শেষ পর্যন্ত কেদার যাদব ৬১ ও ধোনি ৮৭ করে অপরাজিত থাকলেন। তাঁর এই ৮৭ শুধু রান নয়, সমালোচকদের মুখের উপর দেওয়া এক সপাটে থাপ্পড়।