দ্য ওয়াল ব্যুরো: বালি গগনদীপ! যেন চোরাবালিতে আটকে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বালির জায়গায় এলেন জবি জাস্টিন। উঠে দাঁড়ালো ইস্টবেঙ্গল।
কাস্টমসের বিরুদ্ধে যে দল নামিয়েছিলেন, সেই দলে স্রেফ দুটো বদল ঘটালেন ইস্টবেঙ্গল টিডি সুভাষ ভৌমিক। শুরু থেকেই খেলালেন মাঝমাঠের সিরিয়ান তারকা আল-আমনা ও স্ট্রাইকার হিসেবে বালি গগনদিপের জায়গায় জবি জাস্টিন।আর এই দুটো বদলেই বদলে গেল লাল-হলুদ ব্রিগেড। পাঠচক্রকে উড়িয়ে দিয়ে তিন পয়েন্ট ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল।
প্রথম থেকেই আক্রমণ শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। দেখেই মনে হচ্ছিল জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁরা। মাঝমাঠের দখল নিয়ে নিয়েছিলেন আল-আমনা, কাসিম আইদারারা। দু'প্রান্ত ধরে একের পর এক ক্রস তুলছিলেন চুলোভা, ডামমাওয়াইয়া রালতেরা। ১৫ মিনিটের মাথায় চুলোভার ক্রস থেকে অনবদ্য হেড জবি জাস্টিনের। ১-০ গোলে এগিয়ে গেল লাল-হলুদ ব্রিগেড। তারপরেও একের পর এক আক্রমণ তুলে আনতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। মাঝেমধ্যে কাউণ্টার থেকে আক্রমণ তোলার চেষ্টা করছিল পাঠচক্র। কিন্তু দানা বাধছিল না সেই আক্রমণ। ৪০ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে মনোতোষ চাকলাদার হাত বল লাগালে পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। গোল করে ব্যবধান বাড়ান ডামমাওয়াইয়া রালতে।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি দেখা গেল। সেই সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমণ ইস্টবেঙ্গলের। অন্যদিকে কিছু আক্রমণ তুললেও খেই হারিয়ে যাচ্ছিল পাঠচক্রের আক্রমণ। আল-আমনা যেন মাঝমাঠে ফুল ফোটালেন। অন্যদিকে আরও বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেন জবি জাস্টিন। ৭৮ মিনিটের মাথায় চুলোভার ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন জবি জাস্টিন। এরপরে পরিবর্ত হিসেবে নামা বালি গগনদীপ দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। নইলে ব্যবধান আরও বাড়ত।
এই জয়ের ফলে লিগ তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। সেই সঙ্গে জবি-আমনার যুগলবন্দীতে যেন পুনর্জন্ম পেল লাল-হলুদ ব্রিগেড।