দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথায় আছে বিড়ালের মতো রিফ্লেক্স। সাধারণত যে সব ক্রীড়াবিদদের শারীরিক ফূর্তি ও ক্ষমতা খুব বেশি হয় তাঁদের তুলনা করা হয় বিড়ালের শারীরিক ফূর্তির সঙ্গে। কিন্তু কেন বিড়ালের সঙ্গেই এই রিফ্লেক্সের তুলনা করা হয়। সেটা যাঁদের বাড়িতে পোষা বিড়াল রয়েছে, বা যাঁদের বিড়ালের সঙ্গে সখ্যতা বেশি তাঁরা ভালভাবেই জানেন। আর যাঁরা জানেন না, তাঁরা এই ভিডিওটি দেখলেই জেনে যাবেন। তার জন্য কোনও বিড়ালের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। তাতে দেখা যাচ্ছে কখনও ডানদিক, কখনও বামদিকে শূন্যে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ ধরছে একটা বিড়াল। ছোট ক্রিকেট বলে চলছে এই ক্যাচের প্র্যাকটিস। এক তরুণী একটি গলফের ব্যাটে করে বলগুলিকে মারছে। বিড়ালটি নিজের দু’পায়ের উপর দাঁড়িয়ে সামনের দু’পায়ে তা ধরে ফেলছে অনায়াসে। যেন এই ক্যাচ ধরা তার কাছে কিছুই নয়। রোজই যেন এই ধরনের ক্যাচ সে অনেক ধরে।
ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মোট তিনবার বিড়ালটির দিকে বল মারছেন ওই তরুণী। আর তিনবারই সেই ক্যাচ সে ধরে ফেলছে। ঠিক যেন বিড়ালদের জন্টি রোডস। অনেক ক্রিকেটারও এই ক্যাচ ধরা দেখলে লজ্জায় পড়তে পারেন। কারণ সেরা ফিল্ডাররাও ১০০ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল হন না। বিড়ালটি কিন্তু তিনবারই নিখুঁত ক্যাচ ধরেছে।
এই ভিডিও শেয়ার করেছেন অনেকেই। তার মধ্যে প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ডিন জোন্স থেকে শুরু করে ভারতের ধারভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে এমনকি শিল্পপতি হর্ষ গোয়েঙ্কাও রয়েছেন। প্রত্যেকেই বিড়ালটির রিফ্লেক্সে মুগ্ধ হয়েছেন। সেটাই ফুটে উঠেছে তাঁদের টুইটের ক্যাপশনে। ডিন জোন্স লিখেছেন, “আমিও এর থেকে অনেক খারাপ ফিল্ডার দেখেছি।” হর্ষ ভোগলে আবার মুগ্ধ দ্বিতীয় ক্যাচ নিয়ে। তিনি লিখেছেন, “ওই দ্বিতীয় ক্যাচটা।” আর হর্ষ গোয়েঙ্কা তো সরাসরি বলে দিয়েছেন বিড়ালটিকে আইপিএলে ফিল্ডার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
https://twitter.com/hvgoenka/status/1291013490346319872?s=19
শুধুমাত্র ক্রিকেট নয়, বিড়ালটির তুলনা শুরু হয়েছে গোলকিপারদের সঙ্গেও। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দু’দল চেলসি ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কিছু ফ্যানের বক্তব্য চেলসির বর্তমান গোলকিপার কেপা আরিজাবালাগা কিংবা ম্যান ইউর ডি-হিয়ার জায়গায় বিড়ালটিকে নেওয়া যেতে পারে। কারণ এবারের মরসুমে এই দুই গোলকিপারের জন্য অনেক বাজে গোল খেতে হয়েছে দু’দলকে। তাই বিড়ালটিকে ভাল পরিবর্ত হিসেবে মনে করছেন তাঁরা।