
আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট - ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 28 April 2024 22:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেমিফাইনালের প্রথম পর্বে ওড়িশার বিরুদ্ধে ২-১ গোলে হেরেছিল সবুজ-মেরুন। রবিবারের ম্যাচে ২-০ গোলে তাঁদের হারিয়ে আবার আইএসএল ফাইনালে পৌঁছল তাঁরা। দুই ম্যাচ মিলিয়ে এগ্রিগেড ৩-২।
ম্যাচের ২২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ে জোরালো শট মারেন মোহনবাগানের দিমিত্রি পেত্রাতোস। সেই বল কোনও মতে বাঁচিয়েছিলেন ওড়িশার গোলরক্ষক অমরিন্দর। কিন্তু ফিরতি বলে শট মেরে তা গোলে ঢোকাতে ভুল করেননি জেসন কামিন্স। এরপর গোটা ম্যাচে প্রায় সেয়ানে-সেয়ানে টক্কর হয়েছে। কিন্তু কেউই আর গোলের মুখ খুলতে পারেনি।
এরই মধ্যে গোললাইন সেভ করেন বাগান ডিফেন্ডার হেক্টর। রয় কৃষ্ণের ক্রস ধরে ভাল হেড করেছিলেন ওড়িশার ইসাক। গোলকিপার বিশাল কাইথ ঠিক জায়গায় ছিলেন না। গোল পেতেই পারত ওড়িশা। কিন্তু ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান ৩৬ বছর বয়সি এই ডিফেন্ডার।
এর কিছুক্ষণ পরই দ্বিতীয় গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল মোহনবাগান। ডান দিক দিয়ে দুরন্ত গতিতে উঠে এসেছিলেন মনবীর সিং। তাঁর সঙ্গে সঙ্গেই দৌড়চ্ছিলেন কামিন্স। মনবীর যদি তাঁকে ক্রস করতেন তাহলে সহজেই ২-০ গোলের লিড পেত সবুজ-মেরুন। কিন্তু নিজের ভুলে সুযোগ নষ্ট করেন মনবীর।
ওড়িশাও বেশ কিছু সহজ সুযোগ নষ্ট করেছে এই ম্যাচে। তার একটা কারণ গোল করার অদক্ষতা। এবং দ্বিতীয় কারণ মোহনবাগানের দারুণ ডিফেন্ডিং। হেক্টর ছাড়াও ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মনবীর দারুণ একটি গোল বাঁচান। রয় কৃষ্ণর সেন্টার পাসে তিনি পা না ঠেকালে পাশে থাকা ইসাক গোল করে দিতেই পারতেন।
মোহনবাগান ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে এক্সট্রা টাইমে খেলতে নামবে এটাই সবাই ধরে নিয়েছিল। কারণ তখনও এগ্রিগেড দাঁড়িয়ে ছিল ২-২। কিন্তু নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ইনজুরি টাইমের খেলা চলার সময় কামাল করেন পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা সাহাল আব্দুল সামাদ। শেষ বাঁশি বাজার ঠিক মিনিট তিনেক আগে গোল করে দেন তিনি। মনবীরের ক্রস ধরে কোনও রকমে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
এই গোলের ফলে টানা দ্বিতীয়বার আইএসএল ফাইনালে উঠল মোহনবাগান। গতবার তাঁদের হাতে ট্রফি উঠেছিল। এই বছর কি গত বছরের পুনরাবৃত্তি ঘটবে? অপেক্ষায় সবুজ-মেরুন সমর্থকরা।