'শ্যাম্পেনে স্নান' দেশঁ'র, টেবিলে উঠে নাচলেন পোগবারা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিছুক্ষণ আগেই এমব্যাপে, গ্রিজম্যানরা তাঁকে ঘাড়ে তুলে নেচেছেন। তারপর ‘সোনালী ট্রফি’টায় চুমু খেয়েছেন তিনি। তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে খেলোয়াড় ও কোচের ভূমিকায় বিশ্বকাপ জেতার নজির গড়েছেন। তারপরেই প্রেস কনফারেন্স রুমে দেখা গেল অন্য উৎ
শেষ আপডেট: 16 July 2018 10:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিছুক্ষণ আগেই এমব্যাপে, গ্রিজম্যানরা তাঁকে ঘাড়ে তুলে নেচেছেন। তারপর ‘সোনালী ট্রফি’টায় চুমু খেয়েছেন তিনি। তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে খেলোয়াড় ও কোচের ভূমিকায় বিশ্বকাপ জেতার নজির গড়েছেন। তারপরেই প্রেস কনফারেন্স রুমে দেখা গেল অন্য উৎসবের ছবি। ‘শ্যাম্পেনে’ স্নান করলেন ফরাসী কোচ দেশঁ।
সবে প্রেস কনফারেন্স রুমে এসে বসেছেন। দেশ-বিদেশের মিডিয়া তাঁর সামনে। ঠিক সেই মুহূর্তেই দেখা গেল কনফারেন্স রুমে ঢুকে পড়লেন ফরাসী খেলোয়াড়েরা। নেতৃত্বে ডিফেন্ডার বেঞ্জামিন মেন্ডি। খেলোয়াড়েরা এসেই নাচতে শুরু করলেন। পোগবা, মেন্ডিরা কেউ কেউ তো টেবিলের উপরেই উঠে পড়লেন। ‘শ্যাম্পেনে’ স্নান করিয়ে দিলেন দেশঁকে।
https://www.youtube.com/watch?v=69tUaUeE_V0
দেশঁ কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন খেলোয়াড়দের শান্ত করতে। কিন্তু পারলেন না। সবার মুখে তখন একটাই স্লোগান। ‘দিদিয়ের, দিদিয়ের, দিদিয়ের দেশঁ।’ শেষে দেশঁ নিজেও যোগ দিলেন সেলিব্রেশনে। রীতিমতো নাচতে দেখা গেল তাঁকে। সবশেষে যাওয়ার সময় পোগবা আবার টেবিলের উপর তাঁদের নাচের ফলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখলেন। উপস্থিত সাংবাদিকরা তখন রীতিমতো উপভোগ করছেন পুরো ব্যাপারটা।

তারপর দেশঁ সাংবাদিকদের বলেন, ‘গোটা ফ্রান্স এখন আনন্দের সমুদ্রে ভাসছে। খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের পর যতটা আনন্দ হয়েছিল, আজ কোচ হিসেবে জয়ের পর ঠিক ততটাই আনন্দ হচ্ছে। আজকে আমার ছেলেরা যা করে দেখিয়েছে তার জন্য আমি গর্বিত। ওরা নিজেদের সবটা নিংড়ে দিয়েছে মাঠে।’
https://twitter.com/FIFAWorldCup/status/1018581245477949440
এই জয় ফ্রান্সের সমর্থকদের জয় বলে মনে করেন দেশঁ। তাঁর মতে, ‘আজ ফ্রান্সে যে ১০, ১৫, ২০ বছরের ছেলেরা এই বিশ্বকাপ দেখল তাঁরা এর মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হবে। দেশকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়ার গর্ব কোনও দিনও ভোলার নয়। পরবর্তীতে আরও তরুণ ছেলেরা দেশের হয়ে খেলার উৎসাহ দেখাবে। এটাই এই বিশ্বকাপে ফ্রান্সের প্রাপ্তি।’
বিশ্বকাপের সবথেকে তরুণ দল হিসেবে রাশিয়ার মাটিতে পা দিয়েছিল ফ্রান্স। দলে অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে বলে দেশঁ’র দল নির্বাচন নিয়ে সমালোচনাও শুরু করেছিল ফরাসী মিডিয়া। কিন্তু এই তরুণ তুর্কীদের নিয়ে বিশ্বকাপ জিতে সবার মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন দেশঁ। বুঝিয়ে দিয়েছেন এই ফরাসী দলের তিনিই বস।