১০. মাটশুটাকে মাশরুম (৭০,০০০ টাকা/কেজি)
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী মাশরুম। গভীর জঙ্গলের ভেতর খসে পড়া পাতার তলায় জন্মায় এই মাশরুম।খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। পৃথিবীর অনেক দেশে পাওয়া গেলেও জাপানে পাওয়া এই মাশরুমের দাম সবচেয়ে বেশি।
৯. ওয়েস্টিন হোটে
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী মাশরুম। গভীর জঙ্গলের ভেতর খসে পড়া পাতার তলায় জন্মায় এই মাশরুম।খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। পৃথিবীর অনেক দেশে পাওয়া গেলেও জাপানে পাওয়া এই মাশরুমের দাম সবচেয়ে বেশি।
৯. ওয়েস্টিন হোটেল ব্যাগেল (৭৫,০০০ টাকা/পিস)
এক ধরনের রুটি। নিউ ইয়র্কের ওয়েস্টিন হোটেলের শেফ ফ্র্যাঙ্ক তুজাগের আবিস্কার। ইতালির হোয়াইট ট্রাফল নামে একধরনের ছত্রাকের দেহের বিশেষ অংশ, ক্রিম চিজ ও গজি বেরি দিয়ে তৈরি জেলি মাখানো রুটিতে ছড়ানো থাকে সোনার পাতলা তবক।
৮.লোবস্টার ফ্রিট্টাটা (৮৫,০০০ টাকা/প্লেট )
নিউইয়র্কের লা পার্কার মেইডিয়ান হোটেলের এই অমলেট তৈরি হয় অতিকায় সামুদ্রিক চিংড়ির দাঁড়ার মাংস, ৬ টি ডিম আর ১০ আউন্স সেভ্রুগা ক্যাভিয়ার ( স্টারজিয়ন মাছের ডিম) দিয়ে। ফলে দামও আকাশছোঁয়া।
৭.ওয়াগিউ রিব-আই স্টেক ( ২লাখ টাকা/প্লেট)
ওয়াগিউ ষাঁড়ের মাংসের আইটেম। উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ ও অমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই খাদ্যের জন্য প্রস্তুত করা ষাঁড়গুলিকে ছোট্ট থেকে বিয়ার খাওয়ানো হয় জলের বদলে। নিয়মিত ম্যাসেজ করা হয় পেশী নরম রাখার জন্য।
৬.সামুন্দারি খাজানা ( ২ লাখ ৩১ হাজার/প্লেট)
Bombay Brassiere এর তৈরি এক ডিশ কোটিপতিদের জন্য তৈরি। ডেভন কাঁকড়া, হোয়াইট ট্রাফল, বেলুগা ক্যাভিয়ার ও সোনার তবক দিয়ে তৈরি। সঙ্গে স্কটিশ লবস্টার, চারটি সোনার তবক মোড়া কোয়েল পাখির ডিম। চারটি আবালোন ঝিনুক।
৫.পিৎজা রয়াল ০০৭ (৩ লাখ টাকা/পিস)
ডোমেনিকো ক্রল্লা একজন স্কটিশ শেফ, তাঁর বানানো এই ১২ ইঞ্চির পিৎজা তৈরির মুল উপকরণ চিংড়ি, যেটি ম্যারিনেট করা হয় বিশ্ববিখ্যাত ফরাসী মদ কনিয়াক দিয়ে। মদটিকে কমপক্ষে একশো বছরের পুরানো হতে হবে। রুটির ওপরে থাকে শ্যাম্পেনে ডোবানো ক্যাভিয়ার, ভাপিয়ে নেওয়া স্যামন মাছ, আরও কত কী। এছাড়া পিৎজা জুড়ে থাকে থাকে ২৪ ক্যারেট সোনার কুচি।
৪.ডেনসুক কালো তরমুজ ( ৪ লাখ টাকা/৮ কেজি)
অত্যন্ত দুস্প্রাপ্য এই কালোরঙের তরমুজ জাপানের হোক্কাইডোতে পাওয়া যায়। মাত্র কয়েক ডজন উৎপাদিত হয়। অসামান্য এর সুগন্ধ ও স্বাদ।
৩.ইউবারি কিং ফুটি (১৬ লাখ টাকা/পিস)
কোনও সুপার মার্কেট বা ফলের দোকানে দেখা পাবেন না এই ফলটির। কারণ কিনবে কে? কমলা শাঁস যুক্ত এই অসামান্য স্বাদের ফলটি সাধারণত নিলামে বিক্রি হয়।
২.আলমাস ক্যাভিয়ার (১৮ লাখ টাকা/কেজি)
আলমাস ক্যাভিয়ার খাওয়ার ভাগ্য শুধু কোটিপতিদের। লন্ডনের Caviar House & Prunier পৃথিবীতে একমাত্র দোকান ,যারা এটি বিক্রি করে। যে টিনে পুরে এটি বিক্রি করা হয় সেটা ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি।
১.ইটালিয়ান হোয়াইট আলবা ট্রাফল ( ৭৭ লাখ টাকা/কেজি)
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী খাদ্যবস্তু এই ইতালীয় হোয়াইট আলবা ট্রাফল নামের ছত্রাক। জানা গেছে হংকংয়ের এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও তাঁর স্ত্রী একমাত্র এটা নিয়মিত খান। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দামী খাদ্যে এর সামান্য গুঁড়ো মাখিয়ে নেওয়া হয় খাদ্যে সুগন্ধ ও স্বাদ আনতে।