Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

লোকসভা ভোট ৭ দফায়, শুরু ১৯ এপ্রিল, ফল ৪ জুন

লোকসভা ভোট শুরু ১৯ এপ্রিল থেকে। ফল প্রকাশ হবে ৪ জুন।

লোকসভা ভোট ৭ দফায়, শুরু ১৯ এপ্রিল, ফল ৪ জুন

শেষ আপডেট: 16 March 2024 20:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাত দফাতেই লোকসভা ভোট হবে। শুরু ১৯ এপ্রিল। ফল প্রকাশ হবে ৪ জুন। লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই চার রাজ্যের বিধানসভা ভোট হবে। সেগুলি হল, সিকিম, ওড়িশা, অরুণাচল প্রদেশ ও অন্ধ্রপ্রদেশ।

শনিবার দুপুরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার সাংবাদিক সম্মেলনে একথা ঘোষণা করে বলেন, অন্ধ্রে বিধানসভার ভোট হবে ১৩ মে, অরুণাচলে হবে ১৯ এপ্রিল। একইসঙ্গে ২৬ বিধানসভার উপনির্বাচনও লোকসভা ভোটের সঙ্গেই হবে।

দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৬ এপ্রিল, তৃতীয় দফায় ৭ মে, চতুর্থ দফা ১৩ মে, পঞ্চম দফা ২০ মে, ষষ্ঠ দফা ২৬ মে এবং সপ্তম ও শেষ দফার ভোট হবে ১ জুন।

রাজীব কুমার আরও বলেন, এদিন থেকেই চালু হয়ে গেল আদর্শ আচরণবিধি। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছভাবে কাজ করতে হবে। সমচোখে দেখতে হবে সকল রাজনৈতিক দলকে এবং মাঠে নেমে কাজ করতে হবে। নিচুতলা পর্যন্ত অফিসাররাও যাতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন, তার নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে আধিকারিকদের। ভোটার কিংবা প্রার্থীদের কাছে যেন কোনও হুমকি-সতর্কতা না পৌঁছায়।

ভোটারদের আস্থা অর্জনে অনেক আগে থেকে আধা সেনা মোতায়েন করতে হবে। জেলাশাসক, এসপি এবং পুলিশ কমিশনারদের সাধারণ পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে উত্তেজনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে বাহিনী মোতায়েনের দায়িত্ব নিতে হবে। বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে সাপ্তাহিক বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলিকে অবহিত করতে হবে। যদি কোথাও কোনও গন্ডগোলের খবর আসে সেখানে তৎক্ষণাৎ পর্যবেক্ষক পাঠাতে হবে। তাঁরা পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে কথা বলবেন। পর্যবেক্ষকদের নাম, পরিচয়, ফোন নম্বর প্রকাশ করতে হবে।

ভুয়ো ভোটার ও ছাপ্পা ভোট রুখতে সর্বতোভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করতে হবে। তৎক্ষণাৎ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ভোটার ও দলগুলির যে কোনও অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে শোনা ও পদক্ষেপ করতে হবে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও সিভিল ভলান্টিয়ার এবং চুক্তিতে নেওয়া কর্মীদের ভোটের কোনও কাজে অথবা নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

জামিন অযোগ্য ধারায় পড়ে থাকা গ্রেফতার সময়ের মধ্যে সেরে ফেলতে হবে। কোনও অপরাধী বা দাগিকে যেন গারদের বাইরে ঘোরাফেরা করতে না দেখা যায়। ভুয়ো খবরের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। জেলাস্তরে ভুয়ো, প্ররোচনামূলক খবর ছড়ানো বন্ধ করতে পৃথক সেল খুলতে হবে।


```