
গ্রাফিক্স, দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 17 February 2025 08:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলু কার না ভাল লাগে! বাঙালি হলে তো কথায় নেই! বিরিয়ানিতেও আলুর আমদানি করেছেন বাঙালিরাই। তেমনই আলু পরোটাও বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবার।
আটা বা ময়দা, আলু, গাওয়া ঘি, সেই সঙ্গে তাওয়ার গরম তেলের সংস্পর্শে লাল মুচমুচে আলু পরোটা কার না খেতে ভাল লাগে! এতে রয়েছে হাই প্রোটিনও। এক-একটি আলু পরোটায় ক্যালোরি থাকে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০।
কিন্তু তা বলে কি আপনার টিফিনে প্রায় প্রতিদিনই আলু পরোটা থাকে? টাকা খরচ করে নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? চিকিৎসকরা বলছেন, ছাঁকা তেলে ভাজা লুচির চেয়ে আলু পরোটা খাওয়া ভাল। তবে প্রতিদিনের প্রাতঃরাশে লোভনীয় এই খাদ্য রাখার অর্থ রোগ-ব্যাধিকে অযাচিতভাবে 'আয়, আয়' বলে আমন্ত্রণ জানানো!
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাপ্ত বয়স্করা সপ্তাহে বড়জোর দু'দিন টিফিনে আলু পরোটা খেতে পারেন। কারণ, পরোটায় যে পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট থাকে, তাতে খুব ঘন ঘন আলু পরোটা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ ভাল নয়। আর বয়স যদি ৬০ এর ওপরে বা কাছাকাছি হয় তাহলে মাসে একবারের বেশি কখনওই নয়। তাও সেটা হতে হবে বাড়ির বানানো।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুচমুচে করতে দোকানের আলু পরোটাতে ময়দা ব্যবহার করা হয়। অতিরিক্ত ময়দা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। তাছাড়া দোকানের পোড়া তেল অবশ্যই অস্বাস্থ্যকর। তবে বাড়িতে ময়দার বদলে মাল্টিগ্রেন আটা দই দিয়ে মেখে সঙ্গে পনির, মেথি বা গাজর দিয়ে বানালে সেক্ষেত্রে বয়স্করাও সপ্তাহে একদিন খেতে পারেন। চাইলে রাজমা বা পালং শাক, তিল বা চিয়া সিড দিয়েও আলু পরোটা বানাতে পারেন। তবে রুটির মতো সেঁকে নিয়ে নাম মাত্র তেলে ভেজে আলু পরোটা সকালের টিফিনে রাখা যেতে পারে, তাও সপ্তাহে বড়জোর দু'দিন।
কিন্তু শরীরের ক্ষতি হচ্ছে জেনেও আলু পরোটা খাওয়া বন্ধ করতে পারছেন না, আশেপাশে চোখ চালালেই এমন অনেক আলু পরোটা প্রেমীর দেখা মিলবে! এরকমই এক খাদ্য রসির 'বিপিনবাবুর কারন সুধা' আউড়ে বললেন, "এখন তো সব কিছুতেই ভেজাল! বাতাসও দূষিত! রোগ-জ্বালা নিয়েই যখন বাঁচতে হবে, তখন ডাক্তারের সব কথা শুনে কী লাভ! জিহ্বের কথাও তো শুনতে হবে নাকি!"