পুতিনের সঙ্গে বৈঠক সেরে জেলেনস্কিকে ফোন করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সূত্রের খবর এমনটাই। জানা গেছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে বৈঠক সম্পর্কিত বেশকিছু তথ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভলোদিমির জেলেনস্কি
শেষ আপডেট: 16 August 2025 13:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Russian President) ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)। তাঁদের আলোচনার পরই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) সংক্রান্ত ইস্যুতে শুরু হয়েছে নতুন করে চর্চা। তাহলে কি সংঘাত এবার থামতে চলেছে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যখন চলছে ঠিক সেই সময়ই আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি খবর সামনে এল। ট্রাম্পের সঙ্গে ফের সাক্ষাৎ করতে চলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy)।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠক সেরে জেলেনস্কিকে ফোন করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সূত্রের খবর এমনটাই। জানা গেছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে বৈঠক সম্পর্কিত বেশকিছু তথ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শনিবার আলাস্কা (Alaska) থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে দীর্ঘ আলাপ হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে।
আমেরিকান সংবাদমাধ্যম Axios-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প ও জেলেনস্কির কথোপকথন প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ওই ফোনালাপে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন ট্রাম্প।
Axios-এর দাবি, ফোনালাপে ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি দ্রুত শান্তিচুক্তি করা যুদ্ধবিরতির থেকে ভালো।” এই প্রেক্ষিতেই পরে জানা গেছে, আগামী সোমবার (১৮ আগস্ট) ওয়াশিংটন সফরে যেতে পারেন জেলেনস্কি।
এর আগে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পুতিন ও জেলেনস্কির বৈঠক শীঘ্রই হতে পারে, এমনকী তিনি নিজেও আলোচনায় অংশ নিতে পারেন। তবে পরে ক্রেমলিনের তরফে জানানো হয়েছে, সম্ভাব্য ত্রিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে এখনও কোনও আলোচনা হয়নি।
এর আগে মার্চ মাসে হোয়াইট হাউসের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তবে তখন তাঁর সঙ্গে ট্রাম্পের তুমুল তর্ক-বিতর্ক হয়। ‘অবাধ্য’ জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউস থেকে ‘গেট আউট’ বলে বের করে দেন ট্রাম্প। ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের জন্য আয়োজিত নৈশ ভোজেও তাঁকে আপ্যায়ন করা হয়নি। এই ঘটনার পর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রক ইউক্রেনের উপর চাপ তৈরি করে এই বলে যে - জেলেনস্কিকে ক্ষমা চাইতে হবে। শুধু তাই নয়, তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়াতেও চাপ দেওয়া হয়।
কিন্তু নতজানু হতে চাননি জেলেনস্কি। বরং নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন তিনি। দেখা গেল, এত মাস পর সেই অবস্থানই তাঁকে আবার হোয়াইট হাউসে নিয়ে যাচ্ছে।