দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে বৃহস্পতিবারের জোড়া ভয়াবহ বিস্ফোরণে অসংখ্য মানুষের হতাহত হওয়ার ঘটনার দায় নিয়েছে আইসিস (খোরাসান)। গতকালের নাশকতার পর ভয়াবহ দৃশ্য দেখা যায় বিস্ফোরণস্থলে। প্রবীণ মার্কিন সামরিক অফিসাররা 'রাতের বিভীষিকা'র মতো পরিস্থিতি হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তার মধ্যেই ভেসে উঠল এক পাকিস্তানির নাম। ইমরান খানের দেশে আইসিসের মুখ বলে পরিচিত আমির মাওয়ালাই আবদুল্লা ফারুকি। সে-ই নাকি বিস্ফোরণের পিছনে আছে। দাবি একটি নিউজ চ্যানেলের। সূত্রকে উদ্ধৃত করে তারা এক রিপোর্টে বলেছে, ছাড়া পাওয়ার পর সে ও তার পুরানো সঙ্গী মিলে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, এমন সম্ভাবনা প্রবল। পাকিস্তানি এজেন্সিগুলিও এটা চেয়েছে। পাকিস্তান তাদের সন্ত্রাসবাদী ছক বাস্তবায়নের জন্য এই অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি করতে চায়, উন্নত দেশগুলিকে সন্ত্রস্ত করে রাখতে চায় অর্থের জন্য।
ফারুকির সঙ্গে লস্কর-ই-তৈবা ও তেহরিক-ই-তালিবানেরয যোগ আছে। ২০১৯-এ সে ইসলামিক স্টেট খোরাসান, পাকিস্তানের প্রধান হিসাবে মাওয়ালাই জিয়া-উল-হকের স্থলাভিষিক্ত হয়। কয়েকটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, তালিবান কাবুল দখলের পরই আফগানিস্তানের জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় ফারুকিকে।
ঘটনাচক্রে কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে বোমা হামলার কয়েক ঘন্টা আগেই আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া সহ একাধিক দেশ আফগানিস্তানে বসবাসকারী নিজেদের নাগরিকদের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে যেতে না করে বাইরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিপদের হুঁশিয়ারি দিয়ে। বিস্ফোরণের পরপরই কাবুলে অস্থায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত রস উইলসন বলেন, কাবুল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত হুঁশিয়ারিকে বিশ্বাসযোগ্য, অনিবার্য হিসাবেই দেখা হয়েছিল।
বিস্ফোরণের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই একাধিক মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুতে কান্নাভেজা গলায় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হুঁশিয়ারি দেন, যারা হামলা চালিয়েছ, তারা শুনে নাও, আমরা ক্ষমা করব না। তোমাদের ঠিক খুঁজে বের করব, চরম মূল্য দিতে বাধ্য করব।