Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

অপারেশন মিডনাইট হ্যামার: ২৫ মিনিটে ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালায় আমেরিকা, কী ঘটেছিল রাতদুপুরে

ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে হামলার কথা স্বীকার করল আমেরিকা। শনিবার রাতে মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যে চালানো হয়েছিল এই সামরিক অভিযান, যার কোডনেম ছিল ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ (Operation Midnight Hammer)।

অপারেশন মিডনাইট হ্যামার: ২৫ মিনিটে ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালায় আমেরিকা, কী ঘটেছিল রাতদুপুরে

অপারেশন মিডনাইট হ্যামার

অন্বেষা বিশ্বাস।

শেষ আপডেট: 22 June 2025 20:12

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিতে হামলার কথা স্বীকার করল আমেরিকা। শনিবার রাতে মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যে চালানো হয়েছিল এই সামরিক অভিযান, যার কোডনেম ছিল ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ (Operation Midnight Hammer)। রবিবার আমেরিকার এক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা এই তথ্য জানান।

জেনারেল ড্যান কেইন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান, জানিয়েছেন, এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল ১২৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান। এর মধ্যে ছিল সাতটি স্টিলথ B-2 বোমারু বিমান, যেগুলি আমেরিকার মিসৌরি ঘাঁটি থেকে উড়েছিল। তাঁরা জানিয়েছেন, এই অভিযান ছিল ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর থেকে সবচেয়ে দীর্ঘ B-2 মিশন।

এই অপারেশনে মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্র—ফোরদো, নাটানজ এবং ইসফাহান। ফোরদো ও নাটানজ কেন্দ্রে ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের (প্রায় ১৩,৬০০ কেজি) ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স পেনিট্রেটর বোমা নিক্ষেপ করা হয়। একই সঙ্গে, ইসফাহান কেন্দ্রে আঘাত হানে টোমাহক ক্রুজ মিসাইল।

জেনারেল কেইনের দাবি, “আমরা অভিযান শুরু করি সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম)। এবং সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটের মধ্যে সব বিমান ইরানের আকাশসীমা ছেড়ে দেয়।”

এই অভিযান যাতে সফল হয়, তার জন্য রাখা হয়েছিল চাতুর্যের ছাপ। একদল বোমারু বিমান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে পাঠানো হয়েছিল ‘ডিকয়’ বা ভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য। এর ফলে ইরানের সেনাবাহিনী ভুল দিকের দিকে নজর দেয়। এই পরিকল্পনার কথা জানতেন খুব অল্প কয়েকজন মার্কিন সেনা অফিসার।

একই সঙ্গে, একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকেও ইরানের ইসফাহান কেন্দ্রে টোমাহক মিসাইল ছোড়া হয়, যা আঘাত হানে সন্ধ্যা ৫টা নাগাদ (ইস্টার্ন টাইম)। সবশেষ মিসাইলটিই ছিল ইসফাহানের উপর, যাতে ইরানের রাডার বুঝতেই না পারে।

জেনারেল কেইন বলেন, “ইরানের কোনও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম আমাদের ওপর গুলি চালাতে পারেনি। তারা আমাদের দেখতে পর্যন্ত পায়নি।” এদিকে, আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, “এই হামলায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।”

এই মার্কিন হামলা আসে এমন সময়, যখন ইজরায়েল এক সপ্তাহ ধরে ইরানের ওপর আকাশপথে হামলা চালিয়ে চলেছে, যার কোডনেম ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’। ইজরায়েল দাবি করেছে, ইরান খুব দ্রুত পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিল।

ইরানের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এইসব হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৩০ জন নিহত এবং ৩,৫০০ জন আহত হয়েছেন। ইজরায়েলের দাবি অনুযায়ী, তাদের দেশে মারা গিয়েছেন ২৪ জন সাধারণ নাগরিক, আহত হয়েছেন ১,২৭২ জন। পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের আবহে এই অভিযান অঞ্চলটিকে আরও বড় যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল।
 


```