
সংগৃহীত ছবি
শেষ আপডেট: 25 November 2024 16:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বয়ফ্রেন্ডের হাতে খুন হয়েছিলেন ১৮ বছর আগে। এআইয়ের দৌলতে বাবার কাছে ফিরলেন হঠাৎ। ১৮ বছর পর মেয়ের অস্তিত্ব দেখে হকচকিয়ে গেলেন ব্যক্তি। রক্তচাপ বেড়ে গেছিল, জানালেন সংবাদ মাধ্যমকে।
ঘটনাটা ঠিক কী?
এআইয়ের দৌলতে আজকাল কী না হয়। মরা মানুষও জ্যান্ত হয়। সম্প্রতি এক বাংলা সিনেমায় এমন উদাহরণও মিলেছে। গলা থেকে মুখ, ছবি থেকে কর্মকাণ্ড যে কাউকে হুবহু নকল করতে পারে এআই। আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্সের ভাল-খারাপ দিকের মধ্যে এটি ছিল অদ্ভুত দিক। পরিবারের কাছে অবশ্য খারাপই।
২০০৬ সালে স্কুলে পড়ার সময় প্রেমিকের হাতে খুন হন জেনিফার। ১৮ বছর পর তাঁর বাবা এই অক্টোবর মাসে দেখতে পান মেয়েকে গুগলে। বায়োতে লেখা ভিডিও গেম জার্নালিস্ট ও টেকনোলজি এক্সপার্ট। যা দেখে চমকে যান ব্যক্তি। মেয়ে ফিরে এল!
খোঁজ করে জানতে পারেন, এআই দিয়ে জেনিফারের নামে প্রোফাইল খোলা হয়েছে। প্রোফাইলে একটি চ্যাটবটের অপশন রয়েছে, যেখানে ঢুকে মানুষ কথা বলতে পারেন। ওয়াশিংটন পোস্টকে ব্যক্তি জানান, 'আমার পালস বেড়ে গেছিল এটা দেখে। মনে হচ্ছিল বন্ধ করে দি এখনই। এসব আবার কী।'
জেনিফারের নাম ও ছবি দিয়ে চ্যাটবট খোলা হয়। এই প্ল্যাটফর্মে যে কেউ এই ধরনের চ্যাটবটে ঢুকে কথোপকথন করতে পারেন। জেনিফারের প্রোফাইলেও বহু মানুষকে কথা বলতে দেখা যায়। পরে অবশ্য প্রোফাইলটি ডিলিট করা হয়। ব্যক্তি আরও বলেন, 'পরিবারের সম্মতি ছাড়া একজন মৃত কিশোরীর ছবি ব্যবহার করা ভয়ঙ্কর ঘটনা।'
This is fucking disgusting: @character_ai is using my murdered niece as the face of a video game AI without her dad's permission. He is very upset right now. I can't imagine what he's going through.
— Brian Crecente (@crecenteb) October 2, 2024
Please help us stop this sort of terrible practice. https://t.co/y3gvAYyHVY
এই ঘটনা সামনে আসার পর ধিক্কার জানিয়েছেন অনেকেই। পরিবারের সদস্য থেকে বন্ধু, সকলেই প্রশ্ন তুলেছেন তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে। যদি, যারা এই অ্যাকাউন্টটি তৈরি করেছিল, তাদের তরফে জানানো হয়েছে, প্রোফাইলটি দেখে, পরীক্ষা করে তারা ডিলিট করেছে। পদক্ষেপ করা হয়েছে নিয়ম অনুযায়ী।
জেনিফারের কাকা এবিষয়ে জানান, মেয়েকে এই ভাবে দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তাঁর দাদা। ১৮ বছর পর এমন হবে, তিনি ভাবতেও পারেননি।