
চিনের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন শেয়ার বাজারে পতন নেমে আসে।
শেষ আপডেট: 9 April 2025 18:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার ১০৪ শতাংশ শুল্কের জবাবে বুধবার চিন ৮৪ শতাংশ শুল্ক-বদলার ঘোষণা করল। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার থেকেই ওয়াশিংটনের উপর এই নয়া শুল্ক চাপাতে চলেছে বেজিং। চিনা অর্থ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত শুল্ক আগামী ১০ এপ্রিল থেকে বসছে। আমেরিকার রফতানি করা সমস্ত পণ্যে এই অতিরিক্ত হারে শুল্ক আদায় করা হবে। চিনের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন শেয়ার বাজারে পতন নেমে আসে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধ শুরুর দিনই আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বুধবার চিন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, শেষ পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে যাবে। আমেরিকার নতুন শুল্কনীতির যোগ্য ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে কমিউনিস্ট দেশটি। চিনের বিদেশ মন্ত্রক এদিন দেশের বাণিজ্যনীতি প্রসঙ্গে ফের একবার বলে, আমেরিকার সর্বমোট ১০৪ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেওয়ার নীতির জবাবে দেশের স্বার্থ-সুরক্ষা বজায় রাখতে সুদৃঢ় ও শক্তিশালী পদক্ষেপ করবে।
চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান দৈনিক প্রেস বৈঠকে বলেন, যদি আমেরিকা সত্যিই আলোচনা ও সমঝোতার মধ্য দিয়ে সমস্যা মেটাতে চায়, তাহলে ওয়াশিংটনকে আগে সমতাবোধ, পারস্পরিক সম্মান এবং পারস্পরিক সুফলের মনোভাব প্রকাশ করতে হবে। মঙ্গলবার চিনা বাণিজ্য মন্ত্রকের কথারই পুনরক্তি করে লিন বলেন, যদি আমেরিকা শুল্ক নিয়ে যুদ্ধে নামতেই চায়, চিনও নিশ্চিতভাবে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাবে।
এদিনই প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে চিন জানিয়ে দিয়েছে, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্য চাপ বাড়াতেই থাকে, তাহলে চিনও দৃঢ়তার তার জবাব দিয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, আমেরিকা চাইলে শেষ দেখে ছাড়বে বেজিং। শ্বেতপত্রে চিন আরও বলেছে, আমেরিকা শুল্ক বৃদ্ধির নীতি নিয়ে ওদের কায়েমি স্বার্থ মেটাতে চূড়ান্ত চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। এটাকে ওরা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। একে এক জাতীয় একতরফা মনোভাব, আপনি বাঁচলে বাপের নাম মতবাদের দৃষ্টান্ত। আমেরিকার নীতিকে আর্থিক উৎপীড়ন বলে মন্তব্য করা হয়েছে শ্বেতপত্রে।