Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

গরবা নাচতে নাচতে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক, গুজরাতে ১০ জনের মৃত্যু, কেন এমন হচ্ছে বললেন ডাক্তাররা

বমীতে ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে হার্ট অ্যাটাকে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে? নাচার সঙ্গে কি হার্ট অ্যাটাকের কোনও যোগ আছে?

গরবা নাচতে নাচতে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক, গুজরাতে ১০ জনের মৃত্যু, কেন এমন হচ্ছে বললেন ডাক্তাররা

শেষ আপডেট: 24 October 2023 13:01

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবরাত্রি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জায়গাতেই অনুষ্ঠান হয়। গুজরাতে আড়ম্বর-জৌলুস অনেক বেশি। নবরাত্রিতে গুজরাতের নানা জায়গায় গরবা নাচের চল আছে। আর এই গরবা নাচতে গিয়েই একের পর এক হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা সামনে এসেছে। রেহাই পায়নি ১৩ বছরের কিশোরও। নবমীতে ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে হার্ট অ্যাটাকে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে? নাচার সঙ্গে কি হার্ট অ্যাটাকের কোনও যোগ আছে?

বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্টরা বলছেন, গরবা নাচের সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের কোনও যোগ নেই। তবে যাদের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তাদের আগে থেকেই নানা কোমর্বিডিটি ছিল। তাছাড়া নবরাত্রির উপোস, হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস ইত্যাদি নানা কারণও দায়ী।

যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ বা রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি কিংবা যাঁদের স্থূলতার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। হার্ট অ্যাটাক যে কোনও বয়সে, যে কোনও সময়ে হতে পারে। ডাক্তারবাবুরা বলছেন, হার্ট অ্যাটাক নানাভাবে হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’(Silent Heart Attack) - এরও শিকার হন অনেকে। ইদানীংকালে হচ্ছেনও। এই প্রকারের অ্যাটাকে সব রকম উপসর্গ দীর্ঘ সময় ধরে আসে। এই উপসর্গগুলি আমরা অনেক ক্ষেত্রেই অন্য রোগের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলি। অনেক সময়ে এই ধরনের হার্ট অ্যাটাকে সে ভাবে কোনও ব্যথাও অনুভব করেন না রোগী। কিন্তু ভিতরে ভিতরে ঘটে যায় হার্ট অ্যাটাক। আচমকাই আসে আর সব তছনছ করে দিয়ে চলে যায়।

 এখনকার সেডেন্টারি লাইফস্টাইলে অতিরিক্ত চিন্তা-স্ট্রেস-খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, নেশার প্রবণতা ইত্যাদি নানা কারণে হার্টের অবস্থা খারাপ হচ্ছে। ভেতরে ভেতরে হার্ট দুর্বল হয়ে পড়ছে, ব্লকেজ হচ্ছে যা বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছে না। তারপর একদিন আচমকাই হার্টে অ্যাটাক হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইসবই সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। বাইরে থেকে লক্ষণ বোঝা যায় না। তাই এই সময় হার্ট ভাল রাখতে যেমন নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া করা জরুরি তেমনি দরকার শরীরচর্চা। তার জন্য যোগাসনই ভাল উপায় হতে পারে। যোগব্যায়ামে (Yoga) একই সঙ্গে শরীর ও মন দুইই ভাল থাকে।

ইমিউনিটি যখন বশে নেই

জন্ম থেকেই যে ইমিউনিটি শরীরে তৈরি হয় তাকে বলে ইনেট ইমিউনিটি। বেশিরভাগ মানুষই এই ইমিউনিটি নিয়েই জন্মান। আর প্রকৃতি থেকে যে ইমিউনিটি আমরা অর্জন করি তাকে বলে অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটি। এর আবার দু'টি ভাগ-- ন্যাচারালি অ্যাকোয়ার্ড ও আর্টিফিশিয়ালি অ্যাকোয়ার্ড। আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম ইমিউনিটির দুটি ভাগ অ্যাকটিভ ও প্যাসিভ। প্যাসিভ মানে হলে ইমিউনিটি বুস্টার ডোজ নিয়ে বাড়ানো রোগ প্রতিরোধ শক্তি। এখন কথা হল, এখনকার কর্মব্যস্ত জীবনে সারাক্ষণ ছোটাছুটি, প্রতিযোগিতায় আগে থাকা, দিনভর কাজের পরেও কম বিশ্রাম নিয়ে শরীর সুস্থ রাখার তাগিদে অনেকেই কৃত্রিমভাবে ইমিউনিটি বাড়িয়ে রাখার চেষ্টা করেন। যেমন অনেকেই বেশি পরিমাণে পাতিলেবু, মুসাম্বি, কাঁচা হলুদ খেতে শুরু করেন। আবার কেউ বাজারচলতি ইমিউনিটি বুস্টার, নানারকম এনার্জি ড্রিঙ্ক বা সাপ্লিমেন্ট নেন। এই যে জোর করে ইমিউনিটি বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা তা শরীরের জন্য় ক্ষতিকর। ডাক্তারবাবুরা বলছেন,ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিয়ে অনেকেই ইমিউনিটি বাড়ানোর চেষ্টা করেন, একটা সময় এটা টক্সিক লেভেল ছাড়িয়ে যায়। তখন চাপ পড়ে হার্টে।

মেটাবলিক সিনড্রোমও বড় কারণ

এই ব্যস্ততার সময় লাইফস্টাইল ম্যানেজমেন্টকে বাতিলের খাতাতেই রেখেছি আমরা। সঠিক সময়ে খাওয়া দাওয়ার বালাই নেই, শরীরচর্চা মানেই একরাশ আলস্য। মানসিক চাপ কমাতে সিগারেটে টান। অ্যালকোহলে আসক্তি। সব মিলিয়ে ওজন বাড়ছে হুড়হুড়িয়ে। রক্তে লাগামছাড়া ট্রাইগ্লিসারাইড। ব্লাড সুগার সপ্তমে, ইউরিক অ্যাসিডও বাড়ছে। সেই সঙ্গে উদ্বেগ, উচ্চ রক্তচাপ তো আছেই। এক কথায় শরীরজুড়েই নানা রোগ, নিত্যদিন অসুস্থতা। রোজকার জীবনযাপনের এই রোগগুলোই যখন জোট বেঁধে বড় আকার নেয়, তখন তাকে বলে মেটাবলিক সিনড্রোম। যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে হার্টে।


```