Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: পয়লা ওভারেই ৩ উইকেট, স্বপ্নের আইপিএল অভিষেক! কে এই প্রফুল্ল হিঙ্গে?ইরান-মার্কিন বৈঠক ব্যর্থ নেতানিয়াহুর ফোনে! ট্রাম্পের প্রতিনিধিকে কী এমন বলেছিলেন, খোলসা করলেন নিজেইWeather: পয়লা বৈশাখে ঘামঝরা আবহাওয়া! দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা, আবার কবে বৃষ্টি?হরমুজ ঘিরে ফেলল মার্কিন সেনা! ইরানের 'শ্বাসরোধ' করতে ঝুঁকির মুখে আমেরিকাও, চাপে বিশ্ব অর্থনীতি'ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না', আইপ্যাক ডিরেক্টরের গ্রেফতারিতে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকেরভোটের মুখে ইডির বড় পদক্ষেপ! কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলমহাকাশে হবে ক্যানসারের চিকিৎসা! ল্যাবের সরঞ্জাম নিয়ে পাড়ি দিল নাসার ‘সিগনাস এক্সএল’সঞ্জু-রোহিতদের পেছনে ফেলে শীর্ষে অভিষেক! রেকর্ড গড়েও কেন মন খারাপ হায়দ্রাবাদ শিবিরের?আইপিএল ২০২৬-এর সূচিতে হঠাৎ বদল! নির্বাচনের কারণে এই ম্যাচের ভেন্যু বদলে দিল বিসিসিআইWest Bengal Election 2026 | হার-জিত ভাবিনা, তামান্না তো ফিরবেনা!

Vitamin D : ৩০-এর পর এই এক ভিটামিনেই কমতে পারে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি! কী বলছে গবেষণা

যাঁদের মধ্যবয়সে ভিটামিন D-এর মাত্রা বেশি ছিল, তাঁদের পরে টাউ প্রোটিনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। টাউ প্রোটিনকে ডিমেনশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বায়োমার্কার হিসেবে ধরা হয়।

Vitamin D : ৩০-এর পর এই এক ভিটামিনেই কমতে পারে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি! কী বলছে গবেষণা

জিনিয়া সরকার

শেষ আপডেট: 6 April 2026 20:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ আপনি যে ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাচ্ছেন, তার প্রভাব কি পড়তে পারে ২০-৩০ বছর পরে আপনার মস্তিষ্কে? নতুন একটি গবেষণা বলছে—হয়তো পারে।

সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁদের মধ্যবয়সে রক্তে ভিটামিন D-এর মাত্রা বেশি থাকে, তাঁদের পরবর্তী জীবনে ডিমেনশিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিনের মাত্রা কম হতে পারে। এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে Neurology Open Access-এ।

তবে বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট করে দিচ্ছেন — এই ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলেও, এটি সরাসরি প্রমাণ করে না যে ভিটামিন D ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করতে পারে। বরং এটি একটি ‘লিঙ্ক’ বা সম্পর্ক দেখায়, কারণ-প্রমাণ নয়।

কী বলছে গবেষণা

এই গবেষণায় মোট ৭৯৩ জন প্রাপ্তবয়স্ককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যাঁদের গড় বয়স ছিল প্রায় ৩৯ বছর এবং গবেষণার শুরুতে কারও ডিমেনশিয়া ছিল না। প্রথমে তাঁদের রক্তে ভিটামিন D-এর মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। প্রায় ১৬ বছর পরে একই ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের স্ক্যান করা হয়, যেখানে দেখা হয় ডিমেনশিয়া ও Alzheimer’s disease-এর সঙ্গে যুক্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন—টাউ (tau) এবং অ্যামিলয়েড বিটা (amyloid beta)।

ফলাফল বলছে, যাঁদের মধ্যবয়সে ভিটামিন D-এর মাত্রা বেশি ছিল, তাঁদের পরে টাউ প্রোটিনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। টাউ প্রোটিনকে ডিমেনশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বায়োমার্কার হিসেবে ধরা হয়।

ভিটামিন D ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক

ভিটামিন D সাধারণত হাড়ের স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য পরিচিত হলেও, গবেষকরা মনে করছেন এটি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে। তাঁদের মতে, ভিটামিন D শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং মস্তিষ্কের কোষকে সুরক্ষা দিতে পারে। এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁদের রক্তে ভিটামিন D-এর মাত্রা ৩০ ng/mL-এর বেশি ছিল, তাঁদের ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভাল ছিল। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—এই গবেষণায় ভিটামিন D-এর সঙ্গে অ্যামিলয়েড বিটা প্রোটিনের কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

কেন মধ্যবয়স এত গুরুত্বপূর্ণ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যবয়স এমন একটি সময় যখন জীবনযাপনের অভ্যাস ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যের উপর বড় প্রভাব ফেলে। এই সময় ভিটামিন D-এর মাত্রা ঠিক রাখা ভবিষ্যতে মস্তিষ্কে ক্ষতিকর প্রোটিন জমা হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে গবেষকরা এটাও জোর দিয়ে বলছেন—ভিটামিন D একা কোনও ‘ম্যাজিক সলিউশন’ নয়। খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা, ঘুম এবং সামগ্রিক জীবনযাপন—এই সবই মস্তিষ্কের বয়স বাড়ার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

গবেষণার সীমাবদ্ধতা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—এই গবেষণা শুধুমাত্র একটি সম্পর্ক দেখা হয়, সরাসরি কারণ-ফল নয়। অর্থাৎ, ভিটামিন D বেশি থাকলে মস্তিষ্ক ভাল থাকতে পারে, কিন্তু তা ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করবেই—এমন প্রমাণ নেই।

কী করণীয়?

এই গবেষণা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—মধ্যবয়স থেকেই শরীরের ভিটামিনের ভারসাম্য ঠিক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যালোকের সংস্পর্শে থাকা, ভিটামিন D সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া বা প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উপকারী হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন—একটি মাত্র ভিটামিনের উপর নির্ভর করলে চলবে না। দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে হলে প্রয়োজন একটি সুষম জীবনযাপন—যেখানে থাকবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক সুস্থতা। এই বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন, যাতে বোঝা যায় ঠিক কীভাবে ভিটামিন D মস্তিষ্কের বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। তবে মস্তিষ্ক ঠিক রাখতে নিয়মিত কিছু অভ্যাসে গুরুত্ব দিতে হবে।

দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যভিত্তিক। এটি কোনও চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। সোশ্যাল মিডিয়া ও অন্যান্য নানা মিডিয়ায় প্রকাশিত বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে লেখা, যা আলাদা করে দ্য ওয়ালের তরফে যাচাই করা হয়নি।

Note: This report is intended for informational purposes only and is not a substitute for medical advice. It is based on statements published across social media and various other media platforms, which have not been independently verified by The Wall.


```