ম্যাচের শেষের দিকে বিপক্ষ দলের তরফে সম্মান জ্ঞাপনের এক অনন্য নজির দেখল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স।

বড়সড় ব্যানার নিয়ে চিয়ার করতে দেখা গেল লাল-হলুদ সমর্থকদের
শেষ আপডেট: 10 August 2025 22:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার কলকাতার কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গন সাক্ষী থাকল এক হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্যের। আজ, সেখানে ছিল ডুরান্ড কাপের গ্রুপ 'এ' পর্বের শেষ ম্যাচ। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গল এবং ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স দল।
ম্যাচের শেষের দিকে বিপক্ষ দলের তরফে সম্মান জ্ঞাপনের এক অনন্য নজির দেখল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স। দর্শকাসনে বড়সড় ব্যানার নিয়ে চিয়ার করতে দেখা গেল লাল-হলুদ সমর্থকদের।
ব্যানারে বড় বড় করে লেখা, ‘11 PAF airbases, 9 terror camps, forever in the fear of INDIAN AIR FORCE.’ অর্থাৎ, ১১টি পাকিস্তান এয়ার বেস, ৯ জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর সবসময় যার কাছে ভয়ে মাথা নত করে রাখবে – তার নাম ‘ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স’।
ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মুডে ছিল লাল-হলুদ বাহিনি। জোর প্রতিরক্ষা চালিয়ে যায় বিপক্ষ দলও। এক গোলে ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে যায়, শেষ হয় ম্যাচের প্রথমার্ধ্ব।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও গোলের ব্যবধান বাড়াতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে।জান লড়িয়ে খেলেছে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স বাহিনি। কিন্তু আক্রমণাত্মক ইস্টবেঙ্গলের সামনে দাঁড়িয়ে গোল শোধ করা তো দূরের কথা ব্যবধান্টুকুও বাড়াতে পারেনি তারা। শেষমেশ ৬-১ গোলে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সকে হারিয়ে ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ শেষ করে।
ম্যাচে গো-হারা হারলেও দর্শকাসনে থাকা সমগ্র ইস্টবেঙ্গল সমর্থকের মন জিতে নিয়েছে ইন্দিয়ান এয়ার ফোর্সের দল।
এপ্রিলে পহেলগামের বৈসরনে অতর্কিতে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় ২৬ জনকে। যার মধ্যে ২৫ জনই পর্যটক। দায় স্বীকার করে দ্য রেজিস্ট্যান্ট ফ্রন্ট। উচিত শিক্ষা দিতে পাকিস্তানে ঢুকে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারত।
অপারেশনের নাম দেওয়া হয় সিঁদুর। তারপরও জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিক জায়গায় অপারেশন চালিয়ে জঙ্গি দমন করে ভারতীয় সেনা।
অপারেশন সিঁদুর দেখিয়ে দিয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিতে আঘাত হেনে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানকে পিছিয়ে যেতে বাধ্য করার ক্ষমতা ভারতের আছে। রবিবার বেঙ্গালুরুতে দাঁড়িয়ে দৃঢ় কন্ঠে তা সকলের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি দেশের প্রযুক্তিগত শক্তি এবং প্রতিরক্ষায় নিহীত। হাত রয়েছে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’রও।