
ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দলের কোচ বিনো জর্জ
শেষ আপডেট: 5 October 2024 22:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো : চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে টানা চার ম্য়াচে হেরে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু, লাল-হলুদ ব্রিগেডের উপর থেকে এখনই আশা হারাচ্ছেন না দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ বিনো জর্জ। তিনি বললেন, এই দলটার মধ্যে প্লে-অফে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার (৫ অক্টোবর) জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে জামশেদপুর এফসি-র কাছে হেরে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দল। সহজ পেনাল্টি মিস করেছেন সাউল ক্রেসপো। লাল-হলুদের কাটা ঘায়ে এমন ভুলভ্রান্তি যে নুন ছড়াবে, তা বলাই বাহুল্য। তার উপর লাল চুনুঙ্গার আত্মঘাতী গোল জামশেদপুরের কাজটা আরও সহজ করেছে। যদিও রেই তাচিকাওয়া জামশেদপুরকে আগেই ১-০ গোলে এগিয়ে দিয়েছিলেন।
ম্যাচের শেষে সাংবাদিক বৈঠকে এসে বিনো জর্জ বললেন, 'ওরা দুটো বড় সুযোগ পেয়েছিল। সেখানেই স্কোর করেছে। আমরা নিজেদের সেরা পারফরম্য়ান্স করেছি। দলের প্রত্যেকে আজ যেভাবে পারফরম্য়ান্স করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বল দখলের লড়াইয়ে আমরা এগিয়ে ছিলাম। একাধিক সুযোগও তৈরি করেছি।'
তবে বাস্তবটা মেনে নিয়েই বিনো বললেন, 'বর্তমানে আমাদের কাছে পয়েন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, দুর্ভাগ্যের বিষয় এটাই যে আমাদের কাছে একটাও পয়েন্ট নেই। ফুটবলে অনেক সময় এমনটা ঘটতেই পারে।'
তাঁর কথায়, 'আজকের ম্যাচে ভাগ্যটা আমাদের সঙ্গে ছিল না। আমরা পেনাল্টি মিস করেছি। একাধিকবার গোল পোস্টে বল লেগে ফিরে এসেছে। ওদের গোলকিপার বেশ কয়েকটা দুর্দান্ত সেভ করেছে। যদি পেনাল্টিটা কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলেই এই ম্যাচের ফলাফল বদলে যেত।'
গোকুলাম কেরালার প্রাক্তন হেড কোচ মনে করেন, তাঁর দলে একাধিক প্রতিভা রয়েছে। কিন্তু, ভাগ্যের চাকা কিছুতেই ঘুরছে না। তবে তাঁর বিশ্বাস, খুব তাড়াতাড়ি এই খারাপ সময় কেটে যাবে।
বললেন, 'গত তিনটে ম্য়াচের তুলনায় আমরা আজ অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছি। ম্য়াচের প্রথম মিনিট থেকে আমরা বিপক্ষের রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। ইস্টবেঙ্গল এফসি-র মধ্যে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের ক্ষমতা রয়েছে। সামনে বেশ কয়েকটা দিন আমরা ব্রেক পাব। আশা করছি, তারপর নতুন করে শুরু করতে পারব।'
শেষকালে তিনি বললেন, 'আমি এখনও মনে করি যে আমার দলের ফুটবলারদের মধ্যে যথেষ্ট প্রতিভা রয়েছে। আমার দায়িত্ব হল, ওদের সামনের দিকে ঠেলে দেওয়া এবং মোটিভেট করা। সবে চারটেই ম্য়াচ খেলা হয়েছে। আইএসএল একটা লম্বা লিগ। আমি ১০০ শতাংশ বিশ্বাস করি যে ইস্টবেঙ্গল এফসি টপ সিক্সে জায়গা করে নিতে পারবে।'