
নন্দকুমনারকে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন হরিশ কুণ্ডু
শেষ আপডেট: 9 November 2024 20:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার (কলকাতার) বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাওয়া ইতিমধ্যেই বেশ গরম হয়ে উঠেছে। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও গোল করতে না পারলেও জোড়া লাল কার্ড দেখেছে ইস্টবেঙ্গল। এই সিদ্ধান্তের পরই রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ম্যাচের ২৮ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন নন্দকুমার শেখর। তিনি অমরজিতের মুখের সামনে হাত চালিয়েছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সেই হলুদ কার্ডই লাল রংয়ে বদলে যায়।
মাত্র ২ মিনিটের মধ্যে আরও একটা লাল কার্ড! এবার দেখলেন নাওরেম মহেশ। নন্দকুমারের লাল কার্ড দেখে হতাশায় তিনি বলে লাথি চালিয়েছিলেন। আগেই একটা হলুদ কার্ড দেখেছিলেন মহেশ। ফ্রাঙ্কাকে ফাউল করেছিলেন তিনি। এবার তাঁকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হল। অর্থাৎ লাল কার্ড দেখে তাঁকেও মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হল। বাকি ১৫ মিনিট মহমেডানের এগারোজনের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৯ জনকে খেলতে হল।
এখানেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, নন্দকুমারের লাল কার্ড নাহয় মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু এমন হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে মহেশকে লাল কার্ড দেখানো কি আদৌ যুক্তিগ্রাহ্য ছিল? ব্যাপারটি নিয়ে ইতিমধ্যে ব্যাপক জলঘোলা হতে শুরু করেছে।
এখানেই শেষ নয়। ৪০ মিনিটে জোড়া পায়ে ট্যাকল করার জন্য হলুদ কার্ড দেখলেন লাল-হলুদ অধিনায়ক সাউল ক্রেসপোও। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল কেমন পারফরম্য়ান্স করে, সেটাই আপাতত দেখার।