
ফাহদ-ইমতিয়াজ
শেষ আপডেট: 28 December 2024 11:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে এসেও একটিবারের জন্য মুখ খোলোননি ইমতিয়াজ আলি। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন তাঁর পরের প্রজেক্ট নিয়ে। কিচ্ছুটি বলেননি। তবে, আর পারলেন না। বহু মাসের জল্পনার অবসান। ইমতিয়াজ (Imtiaz Ali ) ছবি করছেন।
ছবির নাম ‘দ্য ইটিয়ট অফ ইস্তানবুল’ (The Idiot of Istanbul)। মুখ্য চরিত্রে যিনি অভিনয় করছেন, তাঁকে ‘পুষ্পা লাইট’ বলা যেতেই পারে। তিনিও যে আল্লু অর্জুনের মতোই একেবারে ‘ফায়ার’ তা জেনে গিয়েছ দর্শক। তিনি ফাহাদ ফাসিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক বলেন, ‘ছবি নিয়ে ঘোষণাটা একটু আগেই হয়ে গেল। একটি ফিল্ম হচ্ছে, তবে, আমি এখনই বলতে পারব না, এটা পরবর্তী ছবি হবে কি না। তবে, হ্যাঁ, আমি এই ছবিটি বহুদিন ধরে করার চেষ্টা করছি। ‘দ্য ইটিয়ট অফ ইস্তানবুল’। আমি চাই ছবিটা ফাহাদ করুক।’
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ছবিতে তৃপ্তি দিমরিও থাকছেন। বলিউডে ফাহাদের আত্মপ্রকাশ নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে দর্শক। ২০২৫ সালের প্রথম দিকেই ছবির শুটিং শুরু হতে চলেছে। অনেকই মনে করতে শুরু করেছে, ইমতিয়াজের (Imtiaz Ali ) ‘জব উই মেট‘ কিংবা ‘তামাশা’র মতো আরেকটি সিনেমাটিক মাস্টারপিস হতে চলেছে ‘দ্য ইটিয়ট অফ ইস্তানবুল’৷
ফাহাদকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘পুষ্পা ২’-তে। আল্লুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সিনেময়দানে দাঁড়িয়ে ছিলেন ফাহাদ। অন্যদিকে ইমতিয়াজ আলির সাম্প্রতিকতম পরিচালনা ছিল ‘অমর সিং চামকিলা’ ছবিটি। অভিনয়ে ছিলেন দিলজিৎ দোসাঞ্জ এবং পরিণীতি চোপড়া।
চলতি মাসেই শহরে এসেছিলেন ইমতিয়াজ। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের ছবি ‘মাই মেলবোর্ন’-এর প্রচারে হাজির হন তিনি। সেখানে এসেই বাঙালি পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ 'লভ আজ কাল' খ্যাত পরিচালক ইমতিয়াজ। বলেন, 'আমি সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের কাজ পছন্দ করি। ওঁর 'রাজকাহিনী' সিনেমাটা দেখেছি। আমার বেশ ভাল লেগেছে। তারপরে সেই ছবি নিয়ে সৃজিতের সঙ্গে কথাও হয়েছে। আমি ওঁর সঙ্গে সিনেমা নিয়ে অনেক কথা বলি।’
কলকাতার কথা বলতে গিয়ে তাঁর কথায় উঠে আসে শহরের ঐতিহ্য, শিল্পীদের তুলির টান, কুমোরটুলি ইত্যাদির গল্প। কুমোরচুলি গিয়ে শিল্পীদের কাজ দেখে হতবাক হন ইমতিয়াজ। অবাক হয়ে দেখেন মূর্তি গড়ার কায়দা। শিল্পীদের নিপুনতা মুগ্ধ করে তাঁকে। এসব দেখে আবারও প্রেমে পড়েন তিলোত্তমার। আর এই তিলোত্তমার প্রতি প্রেমই হয়তো তাঁকে বাংলায় ফেরায় বারবার। বাংলা নিয়ে বাংলার মাটিতেই ছবি করার অনুপ্রেরণাও জোগায়।