
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 23 November 2024 19:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সঞ্চালিকা-ব্যবসায়ী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ১২ নভেম্বর। কারণ এই দিনই সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে এসেছিল ছোট্ট আদিদেব। এবার ৬ বছরে পা দিয়েছে সুদীপার সন্তান। তাঁকে নিয়েই কাটে সুদীপার। তবে ছেলেকে জীবনে পেতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে সঞ্চালিকাকে। লড়তে হয়েছে অনেক লড়াই। তা বিভিন্ন সময় অনেক সাক্ষাৎকারেই তিনি বলেছেন।
এই কাহিনি অনেকেরই হয়তো জানা নেই। আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হয়েছেন তিনি। যার ফলে গর্ভধারণ করতেও অনেকটা সময় লেগেছিল সুদীপার। অর্থাৎ কোনও দম্পতির সন্তানধারণে সমস্যা হলে বেশিরভাগ সময় ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গর্ভধারণের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এই পদ্ধতি কার্যকরি হলেও অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ। সেই সময় একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিদিন রান্নার শো সঞ্চালনা করতেন সুদীপা।
একটানা বহু ঘণ্টা তাঁকে দাঁড়িয়ে শুটিং করতে হয়েছিল। একদিনে ৬টা এপিসোডের শুটিং করতেন। আর তখনই ট্রিটমেন্ট চলছিল সুদীপার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এমন একটা সময় ছিল যখন ইঞ্জেকশনের সূঁচ দেখে পালাতাম। তবে আদিদেব হওয়ার সময় প্রতিদিন দু'টো করে ইঞ্জেকশন নিতেই হতো। আর সেই জন্য প্রতিদিন এতটা রাস্তা যেতে আসতে হত। স্টুডিয়ো থেকে হাসপাতাল এতটাই দূরে ছিল, একটা সময় খুব কষ্ট হয়েছে।
টলিউড সূত্রে খবর, মা হওয়ার সময় সুদীপাকে আদির জন্ম পর্যন্ত সুদীপা প্রায় ৩৯৪টি ইঞ্জেকশন নিতে হয়েছিল। এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, 'আদিদেব হওয়ার সময় অনেক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল আমাকে। প্রেগন্যান্সি প্ল্যানিংয়ের সময় প্রায় বারো কেজি ওজন কমে গিয়েছিল। তবে আমার জীবনে বড় একটা উপহার। আমি আদিকে অনেক কষ্ট করার পরে পেয়েছি।'