শোলাঙ্কি রায় ও তাঁর স্কুলের বন্ধু শাক্য বসুর বিয়ের গল্প যেন ছিল স্বপ্নের মতো সুন্দর—২০১৮ এর শীতল ফেব্রুয়ারিতে জড়িয়ে পড়েছিল দুই মনের বন্ধন।

শোলাঙ্কি-শাক্য-সোহম।
শেষ আপডেট: 7 August 2025 12:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শোলাঙ্কি রায় ও তাঁর স্কুলের বন্ধু শাক্য বসুর বিয়ের গল্প যেন ছিল স্বপ্নের মতো সুন্দর—২০১৮ এর শীতল ফেব্রুয়ারিতে জড়িয়ে পড়েছিল দুই মনের বন্ধন। তারপর পাড়ি এক নতুন দেশ, নিউজিল্যান্ড। সব কিছু যেন ঠিকঠাক, যতক্ষণ না দেখা যায়, ঘরবন্দী স্নিগ্ধতা আসলে কতটাই দূরত্বে ঢেকে রাখা হয়েছে।
‘যখন আমি কাজ থেকে ফিরতাম, ও তখনই অফিসে বের হয়ে যেত,’ সংবাদমাধ্যমে শোলাঙ্কি বলেন, ‘বিয়েটা ঠিক ছিল, কিন্তু এক ছাদের নিচে আমরা কখনওই ছিলাম না।’
ছ’মাস ধরে ভালোবাসার তরে যে লড়াই—দূরত্ব, ভিন্ন ভাবনা, মানসিক ফাঁক—এগুলো যতই হালকা মনে হোক, তা নাড়িয়ে দিল সম্পর্কের ভিত। ‘এক পর্যায়ে বুঝলাম, যা হচ্ছে তা কারওর জন্যই ভালর দিকে যাচ্ছে না,’ শোলাঙ্কি বলেন।
এই বিচ্ছেদ নিয়ে চারপাশের রসিকতা ও গুঞ্জনে এক নাম বারবার আসছিল: সোহম মজুমদার। কেউ কেউ ভাবতেন, হয়তো তিনি শোলাঙ্কিকে মুম্বইয়ে টেনে এনেছেন, হয়তো তাঁর কারণেই ঘর ভেঙেছে শোলাঙ্কি-শাক্যর। সেই গুঞ্জন শোলাঙ্কির কানেও পৌঁছেছিল—‘সোহম আর আমি খুব ভালো বন্ধু। আর কিছু নয়,’ বলেন শোলাঙ্কি।
প্রেম আর সম্পর্কের ভাঁজে যে মুহূর্তগুলো থাকে, শোলাঙ্কির কথায় সেই আবেগও ফুটে ওঠে—যেখানে বোঝার আর বোঝানোর চেষ্টা চলে, যেখানে লড়াই চলে, তারপর উপলব্ধি হয়, কিছু বিষয়ে আর সব চেষ্টা অর্থহীন। শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু সেই যন্ত্রণা কিংবা ভুল বোঝার জন্য নয়—একে অপরকে দোষারোপ না করে, নিজ-নিজ পথ বেছে নেওয়াই সঠিক নির্বাচন>