
কী বললেন সইফ?
শেষ আপডেট: 10 February 2025 16:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছয় ছয় বার ছুরির আঘাত, রক্তে ভেজা শরীর--- ওই অবস্থাতেই হামলার দিন একরত্তি ছেলে তৈমুর আলি খানের সঙ্গে হাসপাতালে যান সইফ। অথচ সে সময় করিনা ছিলেন বাড়িতেই। কেন স্ত্রীর বদলে ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে যেত হল তাঁকে? কেন সঙ্গে এলেন না করিনা? ঘটনার প্রায় একমাস পর এই নিয়ে মুখ খুললেন সইফ নিজেই।
সইফের কথায়, "গোটা ঘটনায় ও ভীষণ শান্ত ছিল। ও নিজেই আমাকে বলল আমি তোমার সঙ্গে যাব। ওই সময় ওর দিকে তাকিয়েই আমার ভীষণ শান্ত লাগছিল। করিনাই আমাকে ওর সঙ্গে পাঠায়। ও জানত যে তৈমুরই দায়িত্ব নিতে পারবে। জানি না, সে সময় দাঁড়িয়ে তা সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল কিনা। তবে আমি এটাই চেয়েছিলাম।" যে সময় বাবাকে নিয়ে তৈমুর হাসপাতালে ছোটে, ঠিক ওই সময়েই ছোট ছেলে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে দিদি করিশ্মার বাড়ি যান করিনা। বারবার তাঁর মনে হচ্ছিল সইফের হামলাকারীর বন্ধুরা বাড়ির আশেপাশেই লুকিয়ে আছে।
ঠিক কী ঘটেছিল? সইফ জানিয়েছেন, হামলাকারী প্রথমে জেহর ঘরেই ঢোকে। ধারালো অস্ত্র বের করে মুক্তিপণ দাবি করে। বাথরুমের পাইপের লাইন দিয়ে ঢুকেছিল সে। হামলাকারীকে পাল্টা আক্রমণ করতে গিয়েই আহত হন সইফ। প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে চলে অস্ত্রোপচার। যদি ৪ ইঞ্চি এদিক ওদিক হত তাহলে হয়তো সারাজীবনের জন্য পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে পড়তেন সইফ। তবে আপাতত ভাল আছেন তিনি। ফিরেছেন আগের ছন্দে।