.jpg)
কত টাকা দিলেন সেই অটোচালককে?
শেষ আপডেট: 23 January 2025 12:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সে রাতে তাঁর জামা ভিজে গিয়েছিল রক্তে। গোটা শরীরে ছয় বার কোপ মেরেছিল আততায়ী। চালক না থাকায় সেই রাতে স্থানীয় এক অটোচালকই তাঁকে পৌঁছে দেন হাসপাতালে। চালকের নাম ভজন সিং রানা। মানবিকতার খাতিরে টাকা চাননি সেই অটোচালক। তবে সেদিনের 'ত্রাতা'কে ভুললেন না সইফ।
খানিক সুস্থ হতেই ডেকে নিলেন তাঁকে। জড়িয়ে ধরে জানালেন ধন্যবাদ। শুধু তাই নয়, তুলে দিলেন ৫০ হাজার টাকাও। হাজির ছিলেন শর্মিলা ঠাকুরও। তিনিও মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করলেন ছেলের প্রাণ বাঁচানো সেই ব্যক্তিকে।
কী ঘটেছিল সে রাতে? অটোচালকের বয়ান অনুযায়ী, সে রাতে আচমকাই তিনি দেখতে পান বিপরীতের ফ্ল্যাট থেকে এক মহিলা তাঁকে ডাকছেন। ইউ-টার্ন করে গাড়ি নিয়ে গিয়েই দেখেন এ কী কাণ্ড! রক্তাক্ত অবস্থায় সাদা পাঞ্জাবি পরে সেখান থেকে বের হয়ে আসছেন এক ব্যক্তি। গোটা পোশাক লালে-লাল। কালবিলম্ব না করে সেই ব্যক্তিকে নিয়ে পাশেই লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। তাঁর তৎপরতার কারণেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের হাত থেকে রক্ষা পান সইফ।
অটোচালকের কথায়, "আমি জানতাম না উনি সইফ আলি খান। শুধু এটাই মাথায় ঘুরছিল একজন অসুস্থ, তাঁকে নিয়ে যে করেই হোক হাসপাতালে যেতে হবে।" জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অটোচালককে বান্দ্রা থানাতেও ডাকা হয়, এক এনজিওর তরফেও দেওয়া হয় ১১ হাজার টাকা। নবাবকে প্রাণে বাঁচিয়ে সেই অটোচালক এখন রাতারাতি হিরো। ভাগ্যে তিনি সঙ্গে ছিলেন, কী দুর্দশাই হত তা না হলে!