.jpg)
আদপে বাংলাদেশী সেই ব্যক্তি?
শেষ আপডেট: 19 January 2025 21:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সইফ কাণ্ডে ধৃত শরিফুল ইসলাম কি বাংলাদেশি? রবিবার সকাল থেকে এই প্রশ্নই উঠছে সামাজিক মাধ্যম থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। ঠাণের হিরনন্দানি এস্টেট এলাকা থেকে শরিফুলকে গ্রেফতারের পর মুম্বই পুলিশের ডিসিপি (অপরাধ দমন) দীক্ষিত গেদাম জানিয়েছিলেন, সন্দেহ করা হচ্ছে ধৃত বাংলাদেশি।তবে সেই সন্দেহের পাল্টা প্রশ্ন তুললেন শরিফুলের আইনজীবী সন্দীপ সেখানে।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁর দাবি, তাঁর মক্কেল মোটেও বাংলাদেশী নন। গত সাত বছর ধরে তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা।
এ দিন বান্দ্রা আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে অভিযুক্তের আইনজীবী বলেন, “আদালত পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশকে এই সময়ের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশও দিয়েছে। তবে পুলিশের কাছে এমন কোনও তথ্য নেই যা থেকে প্রমাণ হয় শরিফুল বাংলাদেশের নাগরিক।" তাঁর আরও দাবি ন্যায় সংহিতার ৪৩এ ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্তের আর এক আইনজীবী দীনেশ প্রজাপতি বলেন, "পুলিশের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ নেই। উনি যে বাংলাদেশী তা শুধু অনুমানের ভিত্তিতেই বলেছে পুলিশ।"
এ দিন এই নিয়েই মুখ খুলেছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার জানান, অভিযুক্ত তাঁর দোষ স্বীকার করেছেন। অপরাধী জানিয়েছেন, ওটি সে সইফ আলি খানের বাড়ি তা তিনি জানতেন না। অন্যদিকে পুলিশের দাবি ধৃত আদপে বাংলাদেশের ঝালোকাটি এলাকার বাসিন্দা। কুকর্ম করে সেই খানেই পালানোর ফন্দি আঁটছিলেন তিনি। তবে তার আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান।
প্রসঙ্গত, এখনও লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি আছেন সইফ। পরিস্থিতি আগের থেকে অনেকটাই স্বাভাবিক। ক্রমে সুস্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। খুব শীঘ্রই ছেড়ে দেওয়া হবে তাঁকে।