আরিয়ান-কাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভির আট দিনের পুলিশি হেফাজত
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোয়াগামী প্রমোদতরীতে মাদক কাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী তিনি। আরিয়ান খানের সঙ্গে সেলফি তোলার ছবিও ভাইরাল হয়েছিল নেটমাধ্যমে। বহুচর্চিত সেই ব্যক্তি কিরণ গোসাভি (Kiran Gosavi) এতদিন বেপাত্তা ছিলেন। বৃহস্পতিবার পুণে থেকে তাঁকে আটক করে
শেষ আপডেট: 29 October 2021 11:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোয়াগামী প্রমোদতরীতে মাদক কাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী তিনি। আরিয়ান খানের সঙ্গে সেলফি তোলার ছবিও ভাইরাল হয়েছিল নেটমাধ্যমে। বহুচর্চিত সেই ব্যক্তি কিরণ গোসাভি (Kiran Gosavi) এতদিন বেপাত্তা ছিলেন। বৃহস্পতিবার পুণে থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। আজ শুক্রবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
তাঁর বিরুদ্ধে মুম্বইয়ে লুকআউট নোটিস জারি হয়েছিল। পরে জানা যায় তিনি উত্তরপ্রদেশে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। একটি অডিও বার্তাও ছড়িয়ে পড়েছিল। গোসাভি জানিয়েছিলেন, তিনি লখনৌ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে চান। মহারাষ্ট্রে তাঁর জীবনের ঝুঁকি আছে। কিন্তু শেষ অবধি পুণে থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ।
গত ৩ অক্টোবর বিকেলে মুম্বই থেকে গোয়াগামী যে প্রমোদতরীর মাদক পার্টি থেকে আরিয়ানকে ধরা হয়েছিল সেখানে কিরণ গোসাভিও ছিলেন। বস্তুত তাঁকেই আরিয়ানদের বিরুদ্ধে অন্যতম পক্ষপাতহীন সাক্ষী হিসেবে ভেবে রেখেছিল এনসিবি। আরিয়ানের মামলায় সাক্ষী হিসেবে যে ন’জনের নাম এনসিবির তালিকায় ছিল, কিরণ ছিলেন তাঁদের একজন। এমনকি এনসিবি দফতরে আরিয়ানের পাশেই চেয়ারে পোজ দিয়ে বসে সেলফি তুলতেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পরে জানা যায়, কিরণ গোসাভি পলাতক। তিনি যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, তাই তাঁর বিরুদ্ধে ‘লুক আউট’ নোটিস করা হয়েছিল।
গোসাভির দেহরক্ষী পরিচয় দেওয়া প্রভাকর সেল দাবি করেছিলেন, শাহরুখ-পুত্রের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ১৮ কোটি টাকার চু্ক্তি হয়েছিল{ গোসাভিকে নাকি তিনি ফোনে কথা বলতে শুনেছিলেন। তবে এই দাবি উড়িয়ে এনসিবি যুক্তি ছিল, টাকাপয়সার লেনদেনের কথাই যদি হয় তাহলে আরিয়ান এতদিন জেলবন্দি থাকতেন না। গোসাভিকেও পালাতে হত না। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলেই দাবি করে এনসিবি।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'