ধূমকেতুর সাফল্য কামনায় ছবি মুক্তির ঠিক আগের দিন নৈহাটির বড় মায়ের মন্দিরে হাজির হয়েছিলেন দেব-শুভশ্রী। একসঙ্গে পুজোও দেন তাঁরা। একই রঙের পোশাক? তাও পরিকল্পনা করেই।
.png.webp)
দেব-শুভশ্রী
শেষ আপডেট: 14 August 2025 16:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এভাবেও ফিরে আসা যায়। কিন্তু ফিরে এলেই যে সব হবে আগের মতো, এ দায় তো কারও নেই। ছবির স্বার্থে 'এক' হয়েছেন দেব-শুভশ্রী। মানুষের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন ছবির প্রচার। অথচ তাঁদের কেন বিচ্ছেদ হল? কেন তাঁরা একসঙ্গে নেই...এই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ধূমকেতুর সাফল্য কামনায় ছবি মুক্তির ঠিক আগের দিন নৈহাটির বড় মায়ের মন্দিরে হাজির হয়েছিলেন দেব-শুভশ্রী। একসঙ্গে পুজোও দেন তাঁরা। একই রঙের পোশাক? তাও পরিকল্পনা করেই। ভক্তদের আবেগকে খানিক উস্কে দেওয়া। এর মধ্যে পরকীয়ার স্পর্শ নেই, পুরনো স্মৃতি হাতড়ানো নেই, যা আছে তা হল একান্ত পেশাদারিত্ব।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কার কার নামে পুজো দেবেন, ঠাকুরমশাই যখন জানতে চাইছেন দেবের কাছে, বাবা-মা বোন ছাড়াও আরও দু'টো নাম নেন তিনি। রুক্মিণী মৈত্র ও তাঁর মা...পাশেই বসেছিলেন শুভশ্রী। না, এই নাম শোনার পর তাঁর মধ্যে কোনও বাড়তি প্রতিক্রিয়া নেই।
থাকবেই বা কেন? অতীতের হ্যাংওভার বহন করা তো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ওদিকে পুজো শেষে ঠাকুর মশাই যখন শুভশ্রীর কপালে ঠাকুরের সিঁদুর ছুঁয়ে দিচ্ছিলেন ঠিক তখনই নিজের হাতটাও বাড়িয়ে দেন শুভশ্রী। নোয়াতেও সিঁদুরফোটা দেওয়ার অনুরোধ জানান পুরোহিতকে। তা নিয়েও দুঃখে কাতর হয়ে পড়েননি দেব। সেটা যদিও কাম্যও ছিল না। বাংলায় প্রাক্তন জুটির রিইউনিয়ন আগের বিরল হলেও এখন আর নয়। হলিউড-বলিউড আগেই পেশাদারিত্বের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বহুবার। টলিউডও আর ব্রাত্য রইল না।