নামিবিয়া টানা চতুর্থ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ে চার বছর পর ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম ফরম্যাটের বিশ্বকাপে অংশ নেবে।

জিম্বাবোয়ে
শেষ আপডেট: 3 October 2025 16:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়া (Zimbabwe and Namibia) ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (2026 T20 World Cup) জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে। আফ্রিকান বাছাইপর্বে নামিবিয়া তানজানিয়াকে হারিয়েছে, আর জিম্বাবোয়ে কেনিয়াকে হারিয়ে আইসিসি টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ভারত এবং শ্রীলঙ্কা যৌথ ভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে।
নামিবিয়া টানা চতুর্থ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ে চার বছর পর ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম ফরম্যাটের বিশ্বকাপে অংশ নেবে। গতবার উগান্ডার কাছে হেরে যাওয়ার কারণে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, হিথ স্ট্রিকদের দেশ যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিল।
আফ্রিকান অঞ্চলের দলগুলির মধ্যে বাছাইপর্বের টুর্নামেন্ট ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে জিম্বাবোয়ের হারারেতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রথম সেমিফাইনাল খেলা হয় নামিবিয়া এবং তানজানিয়ার মধ্যে। প্রথমে ব্যাট করে নামিবিয়া ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান করে। অধিনায়ক জেরার্ড ইরাসমাস ৫৫ এবং রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ৬১ রান করেন। ১৭৫ রানের বিশাল লক্ষ্যের মুখোমুখি হয়ে তানজানিয়া ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রান করতে সক্ষম হয়। অভিক পাটোয়া সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন। নামিবিয়ার হয়ে জেজে স্মিত এবং বেন শিকোঙ্গো ৩টি করে উইকেট নেন।
বাছাইপর্বের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জিম্বাবোয়ে কেনিয়াকে হারিয়েছে সাত উইকেটে। প্রথমে ব্যাট করে কেনিয়া ৬ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান করে। রাকিপ প্যাটেল ৪৭ বলে ৬৫ রান করেন। জিম্বাবোয়ের হয়ে ব্লেসিং মুজারাবানি ২ উইকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবোয়ে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫ ওভারে ১২৩ রানের লক্ষ্য অর্জন করে। ব্রায়ান বেনেট ৫১ এবং তাদিভানাসে মারুমানি ৩৯ রান করেন। এই জয়ের মাধ্যমে দলটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছে যায় এবং বিশ্বকাপে প্রবেশ নিশ্চিত করে। নামিবিয়া এবং জিম্বাবোয়ে ৪ অক্টোবর বাছাইপর্বের ফাইনালে খেলবে। ফাইনালের ফল বিশ্বকাপের জন্য দলের গ্রুপ নির্ধারণ করবে।
পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০টি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক হিসাবে সরাসরি প্রবেশাধিকার পেয়েছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ গত বিশ্বকাপে সুপার ৮-এ পৌঁছছিল, তাই এবার তারা সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করেছে। আর আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং পাকিস্তান র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে টুর্নামেন্টে স্থান করে নিয়েছে।
এদিক, কানাডা আমেরিকাস কোয়ালিফায়ারের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করেছে। ইতালি এবং নেদারল্যান্ডস ইউরোপ কোয়ালিফায়ারের মাধ্যমে প্রবেশ করেছে। গতবার অংশগ্রহণকারী স্কটল্যান্ড অবশ্য যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। নামিবিয়া এবং জিম্বাবোয়ে এখন আফ্রিকা কোয়ালিফায়ারের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাকি তিনটি দল এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়া প্যাসিফিক কোয়ালিফায়ারের মাধ্যমে প্রবেশ করবে। তাদের যোগ্যতাও ১৭ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে।