শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)-সহ আওয়ামী লিগের (Awami League) আত্মগোপনে থাকা নেতাদের ভোটে প্রার্থী হওয়া আটকাতেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ওয়াকিবহাল মহলের খবর।

শেষ আপডেট: 4 September 2025 21:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু'দিন আগে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত করেছে ফেরার ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)-সহ আওয়ামী লিগের (Awami League) আত্মগোপনে থাকা নেতাদের ভোটে প্রার্থী হওয়া আটকাতেই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে ওয়াকিবহাল মহলের খবর।
বৃহস্পতিবার একই উদ্দেশ্য একটি আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিল মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে মানবতা বিরোধী অপরাধে চার্জশিট জমা হয়েছে এমন আসামিদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হবে না। এর জন্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট ১৯৭৩ এ নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে। নতুন সংযোজিত ধারা অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত আইনের অধীনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র বা ফরমাল চার্জ দাখিল হলে তিনি সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা ওই পদে বহাল থাকার অযোগ্য বিবেচিত হবেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানান।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেই ভোটে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। অনেকের মতে, যা মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ।
কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল অন্তর্বর্তী সরকার? রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য আওয়ামী লিগকে নির্বাচনে অংশ নিতে না দিতেই এই পদক্ষেপ করা হল। শেখ হাসিনা সহ তাঁর দলের হাজারের বেশি নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে গুম খুন, অপহরণ, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সহ একাধিক মানবতা বিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় চার্জ গঠন করা হয়েছে। নতুন আইনে তাঁরা ভোটে লড়াই করতে পারবেন না।