জিএসটি(GST) বাবদ সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে বিপুল আয় হয়েছে কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় সরকারের। শুধু মার্চেই কেন্দ্রীয় সরকারের কোষাগারে জমা হয়েছে দু লাখ কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ৮.২ শতাংশ বেশি। গত বছরের মার্চের তুলনায় বৃদ্ধির পরিমাণ ৮.৮ শতাংশ বেশি।

শেষ আপডেট: 1 April 2026 16:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিএসটি(GST) বাবদ সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে বিপুল আয় হয়েছে কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় সরকারের। শুধু মার্চেই কেন্দ্রীয় সরকারের কোষাগারে জমা হয়েছে দু লাখ কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ৮.২ শতাংশ বেশি। গত বছরের মার্চের তুলনায় বৃদ্ধির পরিমাণ ৮.৮ শতাংশ বেশি।
বুধবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক ২০২৫-'২৬ অর্থ বছরে জিএসটি এবং রাজস্বের অন্যান্য খাতে আয়ের হিসাব প্রকাশ করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক বাবদ আয়ও যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক।
তবে জিএসটি খাতে বিপুল আয় মোদী সরকারের জন্য খুশির খবর। বিশেষ করে আরব দুনিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে জ্বালানি সংকটের মুখে ভরপুর সরকারি কোষাগার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধের কারণে একটি সংকট বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী(Prime Minister) একাধিক বৈঠকে প্রকাশ করেছেন। দেশবাসীকে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে সদ্য বিদায় নেওয়া অর্থবছরের কেন্দ্রীয় সরকারের আয় নতুন অর্থবছরকে ভরসা জোগাবে বলে মনে পড়ছে ওয়াকিবহাল মহল।
সামনেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভার ভোট। অচিরেই জিএসটি খাতে রাজ্যগুলি তাদের প্রাপ্য অর্থ পেয়ে যাবে। সব মিলিয়ে নতুন অর্থ বছরের (২০২৬-'২৭) শুরুতে রাজ্য সরকারগুলিও আর্থিকভাবে স্বস্তিদায়ক অবস্থায় থাকবে। রাজ্যগুলি প্রাপ্য না পেলে নির্বাচনী প্রচারে বেকায়দায় পড়ত বিজেপি এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদী।
জিএসটি খাতে বিপুল আয় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, গত বছর জুনে এই খাতে সংস্কারের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সরকারি কোষাগারে। জিএসটি চালু হওয়ার পর গত বছর প্রথমবার বড় ধরনের সংস্কার বাস্তবায়ন করা হয়। নিত্য প্রয়োজনীয় একাধিক পণ্যে জিএসটির হার অনেকটা কমিয়েছে জিএসটি কাউন্সিল। ওই তালিকা আছে জরুরী ওষুধও। আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জিএসটির হার কমার ফলে ওইসব পণ্যের কেনাবেচা কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। ফলে জিএসটি খাতে আয়ও প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছে।