Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”'আইপিএলের বাতিল ক্রিকেটাররাই পিএসএলে আসে!’ বোমা ফাটালেন খোদ পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা

তথ্যপ্রযুক্তিতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছায়া? TCS-এর ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাই নিয়ে মুখ খুললেন সিইও

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ জুড়ে ধাপে ধাপে ছাঁটাই হবে। কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল বা ডিপার্টমেন্ট নয়, সিদ্ধান্তটি বৈশ্বিক স্তরে নেওয়া হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তিতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছায়া? TCS-এর ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাই নিয়ে মুখ খুললেন সিইও

গ্রাফিক্স - দ্য ওয়াল

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 28 July 2025 13:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি বছরে প্রায় ১২,২৬১ জন কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে দেশের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবা সংস্থা টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (TCS)। বিশ্বজুড়ে TCS-এর মোট কর্মীসংখ্যার ২ শতাংশ এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রভাবিত হতে চলেছেন বলে খবর।

খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে এসেছে, এই ছাঁটাইয়ের আসল কারণ কি তবে তথ্যপ্রযুক্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) প্রবেশ? উত্তর দিলেন সংস্থার সিইও কে কৃতিবাসন (K Krithivasan)।

এক সাক্ষাৎকারে কৃতিবাসন বলেন, “এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন, কিন্তু প্রয়োজনীয়। এটা এআই-এর কারণে ২০ শতাংশ প্রোডাক্টিভিটি বাড়ার জন্য নয়। কোথাও কোথাও স্কিলের অমিল রয়েছে, কোথাও আবার এমন পরিস্থিতি যেখানে কাউকে ঠিকভাবে নিয়োগ করা যায়নি।”

তিনি আরও জানান, FY26 অর্থাৎ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ জুড়ে ধাপে ধাপে এই কর্মী ছাঁটাই হবে। কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল বা ডিপার্টমেন্ট নয়, সিদ্ধান্তটি বৈশ্বিক স্তরে নেওয়া হয়েছে। “আমরা বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছি,” বলেন কৃতিবাসন।

তবে AI-এর 'ভয়' কি নেই একেবারেই?

যদিও সংস্থার সরকারি বিবৃতিতে আংশিকভাবে AI-র প্রভাব স্বীকার করা হয়েছে। TCS জানায়, “একটি Future-Ready প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠার পথে আমরা একাধিক কৌশলগত উদ্যোগ নিচ্ছি - নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ, নতুন বাজারে প্রবেশ, AI-কে বড় মাপে কাজে লাগানো, অংশীদারিত্ব জোরদার করা, পরিকাঠামো আধুনিকীকরণ এবং কর্মী মডেলের পুনর্গঠন। এই পরিপ্রেক্ষিতে কিছু কর্মীকে পুনরায় স্কিলিং ও রিডিপ্লয়মেন্টের আওতায় আনা হচ্ছে। পাশাপাশি, যাঁদের পুনঃনিয়োগ সম্ভব নয়, তাঁদের সংস্থা থেকে ছেঁটে ফেলা হবে।”

জানা গিয়েছে, এই ছাঁটাইয়ে মূলত মাঝ ও ঊর্ধ্বতন স্তরের কর্মীরা প্রভাবিত হবেন।

চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-র মতো জেনারেটিভ এআই মডেলের আবির্ভাব ভারতের আইটি সেক্টরের প্রচলিত ব্যবসায়িক মডেলকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, টানা ৩০ মাস ধরে এআই-র প্রসারে কোডার-কেন্দ্রিক চাকরির ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে রয়েছে।

মাত্র দু’সপ্তাহ আগেই, ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম আইটি সংস্থা HCL Technologies ঘোষণা করে, অটোমেশন বাড়ায় তারা কিছু গ্র্যাজুয়েট কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা ভাবছে।

বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান HFS Research-এর সিইও ফিল ফারশ্ট (Phil Fersht) বলেন, “AI এখন লোক-নির্ভর সার্ভিস মডেলকে চ্যালেঞ্জ করছে। ফলে বড় সংস্থাগুলো যেমন TCS—তাদের কর্মীবিন্যাস পুনর্বিন্যস্ত করতেই হচ্ছে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে এখন পরিষেবা খরচ ২০-৩০ শতাংশ কমাতে হচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “এই প্রবণতা অন্তত এক বছর চলবে। এই সময় সংস্থাগুলি জুনিয়র কর্মীদের AI ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণ দেবে। আর যাঁরা নতুন AI-ভিত্তিক ‘services-as-software’ মডেলে মানিয়ে নিতে পারবে না, তাঁদের সংস্থা ছাড়তে হবে।”


```