
সুশীল মোদী।
শেষ আপডেট: 14 May 2024 07:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লােকসভা ভোটের মাঝেই বিহারের রাজনীতিতে নক্ষত্রপতন। প্রয়াত বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী। গত ৭ মাস ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় এইমসে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
রাতের দিকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ বিহারের বর্তমান উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী লেখেন, "বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ সুশীলকুমার মোদীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। বিহারের জন্য এটা অপূরণীয় ক্ষতি।" তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডারা।
দেশজুড়ে লোকসভা নির্বাচন চলছে। আর এর মধ্যেই সুশীল কুমার মোদীর প্রয়াণ বিহারের রাজনীতিতে বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা। সাতের দশকে গান্ধীবাদী নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলন থেকে বেশ কয়েকজন নেতা উঠে আসেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন পরবর্তী সময়ে বিহারের পাশাপাশি জাতীয় রাজনীততে স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করতে পেরেছিলেন। এঁদের অন্যতম সুশীল মোদী।
বিহার রাজনীতিতে নীতীশ কুমারের ‘ঘনিষ্ঠতম বিজেপি নেতা’ হিসাবে পরিচিত ছিলেন সুশীল মোদী। নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দুবার বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। বিজেপি-জেডিইউ সরকারের অন্যতম মুখ ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহল বলে, বিজেপি ও নীতীশ কুমারের দলের মধ্যে যোগসূত্রের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করে বিজেপি।
সুশীল মোদীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "দলে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী এবং আমার দীর্ঘদিনের বন্ধুর সুশীল মোদীজির অকাল প্রয়াণের খবরে গভীরভাবে শোকাহত। বিহারে বিজেপির উত্থান এবং বিজেপির সাফল্যের পিছনে তাঁর অমূল্য অবদান আছে। জরুরি অবস্থার বিরোধিতা করে উনি ছাত্র রাজনীতিতে আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। উনি কঠোর পরিশ্রমী এবং সমাজদরদী বিধায়ক ছিলেন। রাজনীতি সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর অসীম জ্ঞান ছিল। প্রশাসক হিসেবেও উনি অনেক প্রশংসনীয় কাজ করেছেন। জিএসটির পাস হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণে থাকবে। এই বেদনার মুহূর্তে তাঁর পরিবার এবং অনুগামীদের সমবেদনা জানাচ্ছি। ওম শান্তি।"