জয় হিন্দ কলোনি একপ্রকার ‘মিনি বাংলা’। বহু দশক ধরে বাঙালি পরিবাররা এখানে বসবাস করছেন।

কেন্দ্রের বিতর্কিত এসআইআরের প্রতিবাদে সংসদে ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ।
শেষ আপডেট: 24 July 2025 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির বসন্তকুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনিতে (Jai Hind Colony) উচ্ছেদ অভিযান আপাতত বন্ধ। বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট (Patiala House Court) জানিয়ে দিয়েছে, ওই এলাকায় এখন কোনও উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এই রায় স্বস্তি এনে দিয়েছে স্থানীয় বাঙালি ভাষাভাষী বাসিন্দাদের। তাঁদের সঙ্গেই এককাট্টা তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের দাবি, বিজেপির ‘বাঙালি বিরোধী’ নীতির বিরুদ্ধে এটা এক ঐতিহাসিক জয়। দলীয় বিবৃতিতে তৃণমূল জানায়, “মোদী নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার বাঙালিদের উৎখাত করতে চেয়েছিল। সেই অপচেষ্টার জবাব দিয়েছে আদালত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা এই লড়াই চালিয়ে যাব।”
জয় হিন্দ কলোনি একপ্রকার ‘মিনি বাংলা’। বহু দশক ধরে বাঙালি পরিবাররা এখানে বসবাস করছেন। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে এই এলাকাকে 'অবৈধ বসতি' বলে চিহ্নিত করে উচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়, পানীয় জলের ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই আইনি পথে হাঁটেন স্থানীয়রা।
The cornerstone of any functioning democracy is the conduct of free and fair elections. The Special Intensive Revision is a sinister attempt to disenfranchise millions, especially the poor and vulnerable.
This is NRC by stealth, a backdoor citizenship verification drive… pic.twitter.com/RwfPrRcd0E— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) July 24, 2025
তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই এই ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব শুধু নয়, তৃণমূলের সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল জয় হিন্দ কলোনিতে গিয়ে স্থানীয়দের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তৃণমূল সংসদে বিষয়টি তোলে এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
অন্যদিকে, কেন্দ্রের বিতর্কিত SIR (Special Intensive Revision) প্রকল্প ঘিরেও সংসদে উত্তাল বিরোধী শিবির। ইন্ডিয়া জোটের অংশ হিসেবে তৃণমূলও এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন বলেন, “SIR হচ্ছে এক রাজনৈতিক চক্রান্ত। এর মাধ্যমে বিরোধী ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। বিজেপি শুধু বাংলাবিরোধী নয়, গণতন্ত্রবিরোধীও।” এখন দেখার জবাবে পদ্মশিবির কী বলে।