সংসদে শুধু দুই বিরোধী দলের তক্কাতক্কিই হয় না, সভার বাইরে সৌজন্য বিনিময়, ঠাট্টা-রসিকতাও হয়, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থেকে যায় আড়ালেই।
.jpeg.webp)
প্রবীণ বিজেপি নেতার মুখোমুখি বসে মজা ও খাবারের ভাগীদার রইলেন গান্ধী পরিবারের তনয়াও।
শেষ আপডেট: 18 December 2025 16:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংসদে শুধু দুই বিরোধী দলের তক্কাতক্কিই হয় না, সভার বাইরে সৌজন্য বিনিময়, ঠাট্টা-রসিকতাও হয়, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই থেকে যায় আড়ালেই। যেমনটা হল বৃহস্পতিবার। লোকসভার কাজের ফাঁকে এদিন কেরলের ওয়ানাড়ের সাংসদ সটান চলে যান কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রী নীতিন গড়করির ঘরে। সেখানে কাজের কথা অবসরে চলল হাসিমজার কথা ও সামান্য অতিথিসেবাও। বয়সে অনেক প্রবীণ বিজেপি নেতার মুখোমুখি বসে মজা ও খাবারের ভাগীদার রইলেন গান্ধী পরিবারের তনয়াও।
কেরলে প্রিয়ঙ্কার সংসদীয় কেন্দ্রের এলাকায় ৬টি রাস্তার প্রকল্প ও তার কাজ দ্রুত করার দাবি নিয়ে এদিন তিনি খোদ চলে যান মন্ত্রীর ঘরে। ঘরটি সংসদের ভিতরেই মন্ত্রীর অফিস। এর জবাবে গড়করি প্রিয়াঙ্কাকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, ৬টি রাস্তার মধ্যে কয়েকটি কেরল সরকারের অধীন। ফলে তা নিয়ে কেন্দ্রের কিছু করার ক্ষমতা নেই। কিন্তু, বাকিগুলি তিনি দেখবেন বলে কথা দেন কংগ্রেস নেত্রীকে।
সামান্য আলোচনার ফাঁকেই নীতিন বলেন, লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা প্রিয়ঙ্কার দাদা রাহুল গান্ধীও কয়েকদিন আগে তাঁর কাছে এসেছিলেন। তিনিও তাঁর কেন্দ্র রায়বরেলির রাস্তা নিয়ে সমস্যা মেটানোর বিষয়ে কথা বলেন মন্ত্রীর সঙ্গে। নীতিন প্রিয়ঙ্কাকে ঠাট্টাচ্ছলে বলেন, ‘ভাই কা কাম কর দিয়া, বহেন কা নেহি করুঙ্গা তো আপ বোলেঙ্গে কি নেহি কিয়া’। এই শুনে প্রিয়ঙ্কা সহ ঘরে উপস্থিত আর পাঁচজনে হেসে ওঠেন।
কেরলে আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের জেতার আত্মবিশ্বাস নিয়ে প্রিয়ঙ্কা বলেন, রাজ্যের উন্নয়নে তাঁর সমস্ত প্রস্তাব বামফ্রন্ট সরকার বস্তাবন্দি করে রেখেছে। আমরা ক্ষমতায় ফিরলেই তার একটা একটা করে কাজ শুরু হয়ে যাবে। আলোচনায় আসা প্রিয়ঙ্কাকে শুধু আশ্বাস নয়, অতিথির মর্যাদায় খেতেও দেন নীতিন গড়করি।
গড়করি একটি ভাতের পদ রান্না করেছিলেন, যা তিনি শেখেন ইউটিউব ভিডিও দেখে। এদিন তা সকলের জন্য নিয়ে এসেছিলেন। যাঁরাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন, তাঁদের রাইস বলের সঙ্গে চাটনি খেতে দিয়েছেন। প্রিয়ঙ্কাকেও তা দেন। নীতিনের হাতের রান্না খেয়ে বেশ খুশি বিরোধী নেত্রীও। প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ছিলেন দলের আরেক নেতা দীপেন্দর সিং হুডা। খেতে খেতেই কাজের কথাবার্তা চলতে থাকে।