ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে লালকেল্লা ও আশপাশের এলাকায় কড়া নজরদারি জারি করা হয়েছে। পর্যটক ও সাধারণ নাগরিকদের আপাতত সেই এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদী
শেষ আপডেট: 10 November 2025 22:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নয়াদিল্লির (New Delhi) লালকেল্লার (Red Fort) সামনে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের (Blast) ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে এনআইএ-কে (NIA)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার নেওয়ার পরই জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-র দল ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
এনআইএ-র পাশাপাশি ঘটনাস্থলে রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)-এর বোম নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ দলও। বিস্ফোরণস্থল ঘিরে ফেলা হয়েছে, এলাকায় চলছে তল্লাশি ও প্রমাণ সংগ্রহ। প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের প্রকৃতি এবং ব্যবহৃত বিস্ফোরক নির্ধারণে কাজ শুরু করেছে এনএসজি ও ফরেন্সিক দল (Forensic)।
রাজধানীর বিস্ফোরণের খবর পেয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে বিস্তারিতভাবে ঘটনার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। বিস্ফোরণস্থও গেছেন তিনি। দিল্লি পুলিশও সমান্তরালভাবে তদন্ত শুরু করেছে, তবে কেন্দ্রের নির্দেশে মূল অনুসন্ধানের দায়িত্ব এখন এনআইএ-র হাতে।
Condolences to those who have lost their loved ones in the blast in Delhi earlier this evening. May the injured recover at the earliest. Those affected are being assisted by authorities. Reviewed the situation with Home Minister Amit Shah Ji and other officials.@AmitShah
— Narendra Modi (@narendramodi) November 10, 2025
প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে বোঝা যাচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত বিস্ফোরণ। গাড়িটি কে বা কারা সেখানে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাছাকাছি থাকা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে পুলিশ ও এনআইএ কর্মকর্তারা।
ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে লালকেল্লা ও আশপাশের এলাকায় কড়া নজরদারি জারি করা হয়েছে। পর্যটক ও সাধারণ নাগরিকদের আপাতত সেই এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
দিল্লি ফায়ার (New Delhi) সার্ভিস সূত্রে খবর, সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৫৫ মিনিটে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় সাতটি দমকল ইঞ্জিন এবং ১৫টি ক্যাট অ্যাম্বুল্যান্স। দ্রুত অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন দমকল কর্মীরা।
প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনায় আপাতত মৃত্যু হয়েছে নয় জনের। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। তবে তাঁদের অবস্থা বা সংখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়। বিস্ফোরণের কারণ নিয়েও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
পুলিশের দাবি, এটি সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে বড় বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা। তদন্তকারীরা আশঙ্কা করছেন, দিল্লি-কাশ্মীর ছাড়াও অন্য রাজ্যেও নাশকতার নেটওয়ার্কের শাখা ছড়িয়ে থাকতে পারে।