.webp)
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী - ফাইল ছবি ।
শেষ আপডেট: 9 April 2024 18:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার দিল্লি হাই কোর্ট আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। তবে হাই কোর্টের রায়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর জামিন পাওয়ার সম্ভাবনা খারিজ হয়ে যায়নি। পৃথক কোনও মামলায় হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চই আগামী দিনে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর জামিন মঞ্জুর করতে পারে। যদিও তাতে কেজরিওয়াল এবং আম আদমি পার্টির অস্বস্তি দূর হচ্ছে না এখনই।
আসলে কেজরিওয়ালের যে মামলার রায় মঙ্গলবার আদালত দিয়েছে তার সঙ্গে জামিনের আর্জির কোনও সম্পর্ক নেই। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আসলে ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছিলেন। তাঁর আইনজীবীরা যুক্তি ও নথিপত্র পেশ করে দাবি করেছিলেন, আপ সুপ্রিমোকে গ্রেফতার করাটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। নির্বাচনের সময় পরিকল্পনা করে তাঁকে ইডি হেফাজতে নিয়েছিল। কেজরিওয়ালের সেই মৌলিক বক্তব্য খারিজ হয়ে গিয়েছে আদালতে। যা ইডির জন্য বড় সার্টিফিকেট বলে মনে করা হচ্ছে।
হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মা রায়ে ইডির গ্রেফতারিকে বৈধ বলেছেন। বিচারপতির বক্তব্য, তাঁর কাছে ইডি যে নথিপত্র পেশ করেছে তাতে আপ সুপ্রিমোর গ্রেফতারিকে বেআইনি বলার সুযোগ নেই। মদকাণ্ডে কেজরিওয়ালের যুক্ত থাকার উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ইডি পেশ করেছে। যদিও কেজরিওয়ালের আইনজীবীদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কোনও প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি ইডি। অথচ, মামলা করা হয়েছে বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইনে।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মঙ্গলবার কেজরিওয়ালের আর্জিতে সায় দিয়ে মামলা খারিজ করে দিলে যেমন আপের অ্যাডভান্টেজ হত, তেমনই তা খারিজ হওয়ায় ভোটের বাজারে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পেয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
মোদী আসলে প্রতিটি সভায় দুর্নীতির ইস্যতে বিরোধীদের আক্রমণ করে বলছেন, ইডি-সিবিআইকে আমি নিয়ন্ত্রণ করিনা। ওরা আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে। ওদের কাজের মূল্যায়ন আদালতই করছে। মঙ্গলবার আপ সুপ্রিমোর মামলার আদালতের রায়ে আপাতত মোদীর এই বক্তব্যই মান্যতা পেয়ে গেল। আপ সূত্রের খবর, কেজরিওয়াল এরপর সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। সেখানেও তিনি গ্রেফতারি অবৈধ দাবি করে মামলা করবেন। পাশাপাশি ১৬ এপ্রিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউর এমএলএ-এমপি আদালতে তোলা হলে জামিনের আবেদন করবেন।