ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 9 December 2024 17:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের উত্তরপ্রদেশে চিতাবাঘের দাপট! সোমবার সকালে যোগীরাজ্যের ফারুখাবাদে কমপক্ষে ১২ জন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুধু এলাকায় দাপাদাপি নয় ইতিমধ্যে চিতাবাঘের আক্রমণে ঘরে থাকাও রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং। তবে উত্তরপ্রদেশে মানুষখোকোর আক্রমণের গল্প নতুন নয়। বিগত কয়েক মাস ধরে এমন খবর বারবার সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। প্রাণ গেছে বহু সাধারণ মানুষের।
সূত্রের খবর, আহতদের তালিকায় অন্যান্য মানুষদের পাশাপাশি দুই স্কুল পড়ুয়া ও তিন বন কর্মী রয়েছেন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, একটি চিতাবাঘই এলাকায় ঢুকেছে এবং এত জন মানুষকে আক্রমণ করেছে।
এদিন সকালে ফারুখাবাদের একাধিক গ্রামে হানা দেয় চিতাবাঘটি। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তাকে এলাকার একাধিক প্রান্তে ঘুরতে দেখা যায়। বেলা বাড়তেই একের পর এক মানুষকে আক্রমণ করে সে। জানা গেছে, যে দুই পড়ুয়া জখম হয়েছে তারা এদিন স্কুলে যাচ্ছিল। আচমকাই তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে বাঘটি। পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় কোনওমতে প্রাণ বাঁচে তাদের।
এরপর সেখান থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী মাদনা এলাকায় দেখা যায় চিতাবাঘটিকে। সেখানেও চারজনের উপর চিতাবাঘটি আক্রমণ চালিয়েছে বলে খবর। তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসে এবং পরিস্থিতির সামাল দেয়। তবে চিতাবাঘকে কোনওভাবেই আয়ত্তে না গেলে খবর দেওয়া হয় বন দফতরকে।
যদিও বন দফতরের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও তার দেখা মেলেনি। ইতিমধ্যে চিতাবাঘকে ধরতে ফাঁদ পাতা হলেও লাভের লাভ হয়নি। উল্টে তিন বনকর্মীর উপর হামলা চালিয়ে চম্পট দেয় সে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী চিতাবাঘটির নাগাল এখনও পাওয়া যায়নি। তবে আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের।
এর আগে বাহরাইচে নেকড়ের আক্রমণে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আহতও হয়েছিলেন বহু মানুষ। পরিস্থিতিতে শেষমেশ লাগাম টানা গেলেও ফের উত্তর প্রদেশে চিতাবাঘের হানায় মাথায় হাত প্রশাসনের।