সম্প্রতি হাথরাসে আরও বড় স্কলারশিপ দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে ২০১১-১৩ সালে প্রি-ম্যাট্রিক স্কলারশিপ সংক্রান্ত এক মামলায় অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখা (ইওডব্লিউ) এক প্রাক্তন মাদ্রাসা অধ্যক্ষ রাজেন্দ্র প্রসাদ এবং তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 30 August 2025 17:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বামীর নাম ভাঙিয়ে স্কলারশিপ জালিয়াতির অভিযোগ উত্তরপ্রদে পুলিশের স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
অভিযোগ, মীরাটের কঙ্করখেড়ার বাসিন্দা রেশমা সইফি, স্বামী কনস্টেবল মহম্মদ আরিফের আয়ের কাগজপত্র গোপন করে বেআইনিভাবে গত দু'বছরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা স্কলারশিপ তুলেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রেশমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।
তদন্তকারীরা জানান, ২০২২ সালের নভেম্বরে বিয়ের কয়েক মাস পরই রেশমা ইসমাইল ন্যাশনাল উইমেন্স পিজি কলেজে বিএড কোর্সে ভর্তি হন। নিয়ম অনুযায়ী, তাঁকে স্বামী আরিফের আয় সনদ জমা দিতে হত। কিন্তু তিনি তা না করে মায়ের আয় সনদ পেশ করেন। এই উপায়ে তিনি দু’বছরে মোট ৭০ হাজার টাকারও বেশি স্কলারশিপ পান। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ৩৩,৭১০ টাকা এবং ২০২৩-২৪ সালে ৩৬,৩৬০ টাকা।
কিন্তু পরে জানা যায়, তাঁর স্বামী রয়েছেন এবং তিনি পুলিশে কর্মরত। নড়েচড়ে বসে সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতর। রেশমাকে পাওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশও আইনি পদক্ষেপ শুরু করেছে। আরিফ বর্তমানে কানপুরে কর্মরত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাথরাসে আরও বড় স্কলারশিপ দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে ২০১১-১৩ সালে প্রি-ম্যাট্রিক স্কলারশিপ সংক্রান্ত এক মামলায় অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখা (ইওডব্লিউ) এক প্রাক্তন মাদ্রাসা অধ্যক্ষ রাজেন্দ্র প্রসাদ এবং তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ প্রায় ২৪.৯ কোটি টাকা বেআইনিভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছিল। শুধু প্রসাদ এবং তাঁর স্ত্রীই ভুয়ো ছাত্রদের নাম দেখিয়ে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা হাতিয়েছিলেন।
বার বার উত্তরপ্রদেশে এই ধরনের জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসায় তোলপাড় রাজ্য। শিক্ষা ও স্কলারশিপ সংক্রান্ত অর্থ কোথায় এবং কীভাবে পাচার হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনও কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে।