
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 24 January 2025 13:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ফের তুলকালাম কাণ্ড। জোর বিবাদ বাধে শাসক এবং বিরোধী সাংসদদের মধ্যে। শুক্রবার ফের একদফা তৃণমূলের শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রধান তথা বিজেপি নেতা নিশিকান্ত দুবে। তর্কাতর্কি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, কল্যাণ ও মিমের ওয়েইসি সহ ১০ বিরোধী সাংসদকে এদিনের মতো সাসপেন্ড করা হয়েছে। আগামী ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বৈঠক মুলতুবি রাখা হয়েছে বলে খবর। বিরোধী সদস্যদের অভিযোগ, বৈঠকে তাঁদের বক্তব্য শোনাই হচ্ছে না। তর্কাতর্কি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, মার্শাল ডাকতে হয়।
নিশিকান্ত দুবে জানান, বিরোধী সদস্যরা বিশেষত আসাউদ্দিন ওয়েইসিজি মনে করেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রতিনিধিত্ব মানা হচ্ছে না, তাঁদের কথা শোনা হচ্ছে না। তাঁরা কাশ্মীরের নির্বাচিত সকল প্রতিনিধিকে বৈঠকে হাজির করতে বলেন। অবশেষে বিরোধীদের দাবিমতো স্পিকার এদিনের মতো বৈঠক মুলতুবি করে দেন। কিন্তু, মিরওয়াজের সামনেই এই সম্মানিত সদস্যরা হই-হট্টগোল শুরু করে দেন, খারাপ ব্যবহার করেন এবং অসংসদীয় আচরণ করতে থাকেন, অভিযোগ দুবের।
এদিকে, তৃণমূল এমপি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, আমরা বারবার দাবি জানাচ্ছিলাম যে বৈঠকটি আগামী ৩০, ৩১ জানুয়ারি ডাকা হোক। কিন্তু, আমাদের অনুরোধ-উপরোধে কর্ণপাত করা হয়নি। সামনেই দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন, তাই ওদের ওয়াকফ বিল সংশোধন নিয়ে এত তাড়াহুড়ো। তিনি আরও বলেন, গতকাল রাতে আমরা সকলে যখন দিল্লি এস পৌঁছাই, আচমকাই বৈঠকের আলোচ্যসূচি বদলে দেওয়া হয়। যদিও এর আগে আমাদের বলা হয়েছিল, বৈঠকে আলোচনা হবে পর্যায়ক্রমে।
কল্যাণের আরও অভিযোগ, বৈঠকে যা চলছিল তাকে এককথায় অঘোষিত জরুরি অবস্থা বলা চলে। এসব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, কারণ শিয়রে চলে এসেছে দিল্লির ভোট। আমরা সব বুঝি। স্পিকার কারও কথাই শুনছিলেন না, এটা কি জমিদারি চলছে? ওরা বিরোধী সদস্যদের কোনও সম্মানই দিচ্ছে না। যৌথ সংসদীয় কমিটিকে একটি প্রহসনে পরিণত করে দিয়েছে ওরা।