
শেষ আপডেট: 24 February 2024 20:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে গ্র্যামি-জয়ী টেলর সুইফটের ‘লাভ স্টোরি’-র রোম্যান্টি গান। লিরিক্সে ঠোঁট নাড়তে নাড়তে ছন্দে ছন্দে নেচে উঠলেন কনে। বাঙালি বিয়ে। তাই লাল বেনারসীতে আদ্যোপান্ত বাঙালি সাজ কনের। পান পাতা দিয়ে মুখ ঢেকে লজ্জায় জড়োসড়ো হয়ে নয়, বরং গানের তালে নাচতে নাচতেই ছাদনাতলায় গেলেন কনে। হবু বৌয়ের নাচ দেখে বেশ গদগদ দেখা গেছে বরকেও। আর এই মিষ্টি রোম্যান্টিক ভিডিও ভাইরাল হতে সময় নেয়নি। ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট হওয়ার পর থেকে ভিউ চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে। প্রশ্ংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন নেটিজেনরা।
নাচে-গানে হইহল্লা করে বিয়ে বাঙালি বাড়িতে খুব একটা দেখা যায় না। অবাঙালিদের মধ্যে এই প্রথা আছে। বরযাত্রীরা রীতিমতো নাচতে নাচতে গাইতে গাইতে বিশাল শোভাযাত্রা করে কনের বাড়িতে আসে। তবে ইদানীংকালে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিয়ের রীতি-রেওয়াজেও অনেক বদল এসেছে। ছাপোষা বাঙালিও আজকাল ডেস্টিনেশন ওয়েডিং বেছে নেয়। বিয়ের মণ্ডপে নাচ-গান করতেও দেখা যায়। গিটার বাজাতে বাজাতে সাত পাকে বাঁধা পড়তেও দেখা গেছে অনেক দম্পতিকে। আধুনিক সমাজ এই হইচইয়ের ব্যাপারটা মেনেও নিয়েছে।
বিয়ে মানেই একরাশ আনন্দ। চারিদিকে আলোর রোশনাই, খাওয়া দাওয়া, গান-বাজনা। তাই বিয়েটাকে সেলিব্রেট করতেই চেয়েছিলেন সেই কনে। অত্রি ভট্টাচার্য ইনস্টাগ্রামে কনের নাচের ভিডিও পোস্ট করেছেন। তারপর থেকেই সেই ভিডিও জেট গতিতে ভাইরাল হচ্ছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, টেলর সুইফটের গান বাজছে। লিরিক্সে ঠোঁট মেলাতে মেলাতে নাচছেন কনে। গানের লিরিক্সও কণ্ঠস্থ তাঁর। আর টেলরে রোম্যান্টিক লিরিক্সেই প্রেম নিবেদন করছেন হবু জীবনসঙ্গীকে।
কনে যে আধুনিক ও পাশ্চাত্য সঙ্গীতে রুচি রাখেন তা বেশ বোঝাই যাচ্ছে। পাশ্চাত্যে সঙ্গীত দুনিয়ায় এখন অন্যতম জনপ্রিয় পপ তারকা টেলর অ্যালিসন সুইফট। ১২টি গ্র্যামি রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। সম্প্রতি ৬৬তম গ্র্যামির মঞ্চে নয়া নজির তৈরি করেছেন টেলর সুইফ্ট। গায়িকার ‘মিডনাইট্স’ অ্যালবামটি জিতে নিয়েছে ‘অ্যালবাম অফ দ্য ইয়ার’ শিরোপা। এই নিয়ে কেরিয়ারে চার বার তিনি এই পুরস্কার পেয়েছেন।
View this post on Instagram
বৌয়ের কাণ্ড দেখে প্রথমে হকচকিয়েই গিয়েছিলেন বর। তবে পরে তিনিও ব্যাপারটা উপভোগ করতে শুরু করেন। আর চারপাশের লোকজনের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতোই। ভিডিওটি পোস্ট করে অত্রি লিখেছেন, “এত মিষ্টি বৌ দেখিনি। প্রার্থনা করছি তাঁদের বাকি জীবনের অ্যাডভেঞ্চারটা এমনই আনন্দে, হাসিখুশিতে কাটুক। ”