Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ! মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির‘১৫ বছরের অচলাবস্থা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ!’ নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তায় তৃণমূল সরকারকে তোপ মোদীরঅভিষেক পত্নীকে টার্গেট করছে কমিশন! হোয়াটসঅ্যাপে চলছে নেতাদের হেনস্থার ছক? সরাসরি কমিশনকে চিঠি তৃণমূলেরIPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কার

অযথা আতঙ্কিত হবেন না, গুলেন ব্যারি সিনড্রোম নিয়ে আশ্বাসবার্তা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

কলকাতাতেও দুই শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিবৃতি প্রকাশ করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

অযথা আতঙ্কিত হবেন না, গুলেন ব্যারি সিনড্রোম নিয়ে আশ্বাসবার্তা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 28 January 2025 15:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গুলেন ব্যারি সিনড্রোম নিয়ে চিন্তা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। ইতিমধ্যে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। মহারাষ্ট্রে একজনের মৃত্যুও হয়েছে বলে খবর। আবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাতেও দুই শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিবৃতি প্রকাশ করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। বলা হয়েছে, কেউ যেন আতঙ্কিত না হন।

রাজ্য আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছে, এই রোগ কোনও নতুন রোগ নয়। আগে থেকেই এর অস্তিত্ব রয়েছে। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। তাছাড়া নতুন করে বাংলায় কেউ আক্রান্ত হননি বলেও জানানো হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট উল্লেখ করে এও স্পষ্ট করা হয়েছে, ডিসেম্বরের শেষ থেকে আজ পর্যন্ত এ রাজ্যে জিবি সিনড্রোমে কেউ আক্রান্ত হননি।  

গুলেন ব্যারি সিনড্রোম সাধারণ কোনও রোগ নয়। বিরল এক স্নায়ুর রোগ। সাধারণত এই রোগের বাড়বাড়ন্ত দেখা যায় না। তবে এটি হলে শরীরের নার্ভাস সিস্টেম ও ইমিউন সিস্টেমকে কার্যত নষ্ট হয়ে যায়। ক্যাম্পিলোবেক্টর জেজুনি ব্যাকটেরিয়ার কারণেও এই রোগ দেখা দিতে পারে। জল বা খাবার থেকে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়তে পারে মানব শরীরে। তবে বিশ্বের নিরিখে অনেক কম মানুষের মধ্যেই এই রোগ দেখা যায়।

সম্প্রতি কলকাতায় দুই শিশুর শরীরে এই রোগের উপসর্গ দেখা গেছে বলে জানা গেছে। এক শিশুর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর এলাকায়। অন্যজন থাকে উত্তর ২৪ পরগনার বাগুইআটি এলাকায়। 

এই রোগে আক্রান্ত হলে সবার প্রথমে হাত-পা ঝিনঝিন করতে শুরু করে। তারপর ধীরে ধীরে হাত-পা অসাড় হতে থাকে। হাত দিয়ে কিছু ধরতে পারেন না রোগী। হাঁটাচলা করতে কষ্ট হয়। শরীরের ব্যালান্স হারিয়ে যায় ধীরে ধীরে। 

কারও ক্ষেত্রে আবার হাতের আঙুলের মাথাগুলি অসাড় হয়ে যায়। পায়ের পাতাও অবশ হয়ে যেতে শুরু করে। মুখমণ্ডলও অসাড় হতে থাকে, ফেসিয়াল প্যারালাইসিসও হয় রোগীর। শক্ত হয়ে যায় ঘাড়ে পেশি। মাথা নাড়ানোর ক্ষমতাও থাকে না। এর পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, বমি, মাথা ঘোরার মতো উপসর্গও দেখা দেয়।


```