
শেষ আপডেট: 2 September 2021 01:57
জম্মু-কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে জড়িত থাকার জন্য সেই ২০০৮ সাল থেকেই হায়দরপুরায় তাঁর বাসভবনে গৃহবন্দি ছিলেন। তিনি ছিলেন হুরিয়ত কনফারেন্সের অন্যতম শীর্ষনেতা। প্রথমে জামাত-ই-ইসলামের প্রধান ছিলেন। পরে কাশ্মীরে তেহরিক-ই-হুরিয়ত তৈরি করেন। উপত্যকার বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলির সংগঠন অল পার্টি হুরিয়ত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান ছিলেন দীর্ঘদিন। কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন গিলানি। তবে শোনা গিয়েছিল, গত বছরই তিনি হুরিয়ত কনফারেন্সের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।
গিলানির জন্ম ১৯২৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। তিন বছর ১৯৭২, ১৯৭৭ ও ১৯৮৭ সালে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সোপোর আসন থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
https://twitter.com/MehboobaMufti/status/1433125074731614209
গিলানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি দলনেত্রী মেহবুবা মুফতি। টুইট করে তিনি বলেছেন, “গিলানি সাহেবের মৃত্যুর খবরে আমি মর্মাহত। অধিকাংশ বিষয়েই আমরা সহমত ছিলাম না, কিন্তু তাঁর অবিচলতা, বিশ্বাস ও একনিষ্ঠ মনোভাবের জন্য আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি। কামনা করি, আল্লা যেন তাঁকে জন্নতে জায়গা দেন। তাঁর পরিবার ও আপনজনদের প্রতি সমবেদনা জানাই।”
সৈয়দ আলি শাহ গিলানির মৃত্যুর পরেই উপত্যকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। হায়দরপুরায় গিলানির বাসভবনের বাইরেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। জানা গেছে, কাশ্মীরের কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় হুরিয়ত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। দক্ষিণ অনন্তনাগ থেকে হুরিয়ত নেতা মুখতার আহমেদ ওয়াজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'