
শেষ আপডেট: 23 January 2020 14:35
বিজেপি নেতা স্বামী তাঁর আবেদনে বলেন যে তিনি মামলার প্রথম পর্যায়ে জয়ী হয়েছেন যেখানে রাম সেতুর অস্তিত্বের কথা মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
তিনি বলেন যে, রামসেতুকে জাতীয় ঐতিহ্যবাহী স্মারকের মর্যাদা দেওয়ার ব্যাপারে তিনি যে আবেদন করেছেন তার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ২০১৭ সালে একটি বৈঠক করেছিলেন যদিও তার পরে এ ব্যাপারে কিছু এগোয়নি। সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য এই আবেদনের আশু শুনানিতে রাজি হয়নি।
প্রথম ইউপিএ সরকার চেন্নাইয়ে সেতুসমুদ্রম শিপ চ্যানেল প্রকল্প ঘোষণা করার পর থেকেই রামসেতুকে জাতীয় ঐতিহ্যের স্মারক ঘোষণার জন্য জনস্বার্থ মামলা করে বিজেপি। ২০০৭ সালে বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে গড়ায়, সর্বোচ্চ আদালত ওই প্রকল্পের কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়।
পরে কেন্দ্রীয় সরকার জানায় যে তারা ‘আর্থ-সামাজিক সমস্যা’র কথা বিবেচনা করে বিকল্প কোনও স্থানে এই প্রকল্প করা করা যায় কিনা তা ভেবে দেখবে।
মন্ত্রক থেকে পাঠানো হলফনামায় বলা হয়েছে, “জাতীয় স্বার্থে অ্যাডামস ব্রিজ/ রামসেতুর কোনও ক্ষতি না করে বিকল্প কোনও জায়গায় সেতুসমুদ্রম শিপ চ্যানেল প্রকল্প করার কথা বিবেচনা করছে ভারত সরকার।”
আদালত নতুন করে হলফনামা চেয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে।
বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল, পরিবেশকর্মী ও হিন্দুদের ধর্মীয় গোষ্ঠী সেতুসমুদ্রম প্রকল্পের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে।
এই প্রকল্পে ৮৩ কিলোমিটার দীর্ঘ গভীর কাত কাটা হবে যা পক প্রণালীর সঙ্গে মান্নারকে যুক্ত করবে। এজন্য ড্রেজিং করে ওই চুনাপাথর সরিয়ে দিতে হত।
এই ব্যাপারে জবাব দেওয়ার জন্য গত বছর ১৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারকে ছ’সপ্তাহ সময় দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত।