ভাটপাড়ায় বৃদ্ধের অস্বাভাবিক মৃত্যু, সম্পত্তির লোভে খুনের অভিযোগ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাথায় মেরে খুন করে গলায় দড়ি দিয়ে এক বৃদ্ধকে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তাঁরই নাতি ও নাতবউয়ের বিরুদ্ধে। ভাটপাড়া দশ নম্বর ওয়ার্ডের নয়ানগর এলাকার ঘটনা। সম্পত্তির লোভেই তারা একাজ করছে বলে অভিযোগ আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের। মৃত্যু
শেষ আপডেট: 11 February 2020 11:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাথায় মেরে খুন করে গলায় দড়ি দিয়ে এক বৃদ্ধকে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তাঁরই নাতি ও নাতবউয়ের বিরুদ্ধে। ভাটপাড়া দশ নম্বর ওয়ার্ডের নয়ানগর এলাকার ঘটনা। সম্পত্তির লোভেই তারা একাজ করছে বলে অভিযোগ আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের। মৃত্যুর খবর চাউর হতেই অভিযুক্ত নাতবউকে গণধোলাই দেন এলাকার লোকজন। ভাটপাড়া থানার পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তির নাম লক্ষ্মণ চৌধুরী (৮৫)।
লক্ষ্মণ চৌধুরীর দৌহিত্র তথা ভাটপাড়া ২৮ নম্বর রেলগেটের পাশের বাসিন্দা রঞ্জিত চৌধুরীর সঙ্গে বছর পাঁচের আগে বিয়ে হয় রিনা দাসের।
মাস চারেক আগে রঞ্জিতের মা শোভা চৌধুরী মারা যান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। অভিযোগ, শোভা চৌধুরীকে খেতে দিত না রঞ্জিত ও তার স্ত্রী, তার উপরে অমানবিক অত্যাচার লেগেইছিল। এর জেরেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান বলে মনে করেন প্রতিবেশীরা। মাস আটেক আগে একই ভাবে মারা যান রঞ্জিতের দিদা শান্তি চৌধুরীও।

বৃদ্ধ লক্ষ্মণের মৃত্যুর পরে অভিযোগ ওঠে, তাঁর মাথায় রড দিয়ে মেরে পরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধ প্রায়ই অভিযোগ করতেন যে তাঁকে খেতে দেওয়া হয় না। গতকাল সন্ধ্যাতেও অশান্তি শুনেছেন তাঁরা। এদিন ভোরে জানতে পারেন ওই বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, গলায় হাতখানেক লম্বা একটি দড়ি পরানো অবস্থায় ওই বৃদ্ধকে একটি টুলের উপরে বসানো ছিল। তাঁর দেহের পাশে রক্তও ছিল।
ভাটপাড়া থানার পুলিশ রিনাকে গ্রেফতার করেছে। রিনা ও রঞ্জিত – দু’জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তবে কেউই খুনের কথা মানতে চায়নি। লক্ষ্মণ চৌধুরীর দেহ ময়না তদন্তের জন্য ব্যারাকপুর পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আট মাসে তিন জনের মৃত্যুর পরে অভিযোগ উঠেছে, প্রত্যেককেই পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে। বাড়ি ও অন্যান্য সম্পত্তির লোভেই একাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিবেশীরা।