শুভেন্দুর ইস্তফার বয়ানের সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদের ইস্তফার বয়ানের কী অদ্ভুত মিল! এটাই কি ইঙ্গিত
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৭০ বছর সাড়ে সাত মাসের ব্যবধান! কিন্তু দুটি ইস্তফাপত্রের কী অদ্ভুত মিল!
১৯৫০ সালের ৬ এপ্রিল। জওহরলাল নেহরু মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ২০২০-র ২৭ নভেম্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্
শেষ আপডেট: 27 November 2020 12:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৭০ বছর সাড়ে সাত মাসের ব্যবধান! কিন্তু দুটি ইস্তফাপত্রের কী অদ্ভুত মিল!
১৯৫০ সালের ৬ এপ্রিল। জওহরলাল নেহরু মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ২০২০-র ২৭ নভেম্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তার পরেই দেখা যাচ্ছে, শ্যামাপ্রসাদের বয়ানের সঙ্গে অদ্ভুত মিল রয়েছে শুভেন্দুর ইস্তফার বয়ানের।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে ইস্তফাপত্র দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যপালকেও প্র্তিলিপি ইমেল করেন শুভেন্দু। নিয়ম হচ্ছে, ইস্তফা গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর তা যায় রাজভবনে। অনেকে মনে করছেন, শুভেন্দু আগেই রাজ্যপালকে সেই চিঠি পাঠিয়ে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন, আর কোনও পুনর্বিবেচনার অবকাশ নেই।
শুভেন্দু তাঁর ইস্তফাপত্রে লিখেছেন:

নন্দীগ্রামের বিধায়কের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, সংসদের লাইব্রেরিতে শ্যামাপ্রসাদের ইস্তফাপত্র রাখা রয়েছে। আগে শুভেন্দু তা পড়েছিলেন। পরে সেটা সংগ্রহও করেন।
সন্দেহ নেই এই ঘটনা অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ। জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। তাঁর বয়ানের মতো ইস্তফাপত্র রাজনৈতিক ভাবে তাত্পর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
যদিও এ ব্যাপারে শুভেন্দু নিজে কিছু বলেননি। তাঁর অনুগামীরাও বলছেন, এখনই দাদাকে নিয়ে দলত্যাগের জল্পনা করা বৃথা। দাদা যদি দল ছাড়েন তৃণমূলের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তবেই ছাড়বেন। কারণ, এ ক্ষেত্রে সাংবিধানিক কিছু শিষ্টাচার ও রীতি রয়েছে। এক দলের বিধায়ক পদে থেকে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়া সংসদীয় রীতি ও নিয়ম বিরুদ্ধ।
শুভেন্দুর ইস্তফার পরেই তাঁকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মুকুল রায়। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, "পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছিল এটা হওয়ারই ছিল। তৃণমূলে কোনও ভদ্রলোক থাকতে পারবেন না। ওই দলে মান-সম্মান-স্বাধীনতা কিচ্ছু নেই।"