
শেষ আপডেট: 8 September 2020 09:17
মঙ্গলবার সকালে আচমকা ধসের জেরে জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশ বসে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে হাজির হন আসানসোল কর্পোরেশন এর স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদ দিব্যেন্দু ভগৎ।
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মেয়র জানান, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত রাস্তা সারাবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি এও বলেন, এই এলাকায় জাতীয় সড়কের নীচ দিয়ে ব্রিটিশ আমলের তৈরি একটা বড় নালা আছে। সোমবার রাত্রে নালার কিছুটা অংশ ধসে যায়। সম্ভবত তার ফলেই মঙ্গলবার সকাল নটা নাগাদ জাতীয় সড়কের বিস্তীর্ণ অংশে ধস নেমে বসে যায় রাস্তা। আসানসোল পৌরনিগমের তরফে নালাটি মেরামতের চেষ্টা করা হচ্ছে। জাতীয় সড়ক কতৃর্পক্ষের সঙ্গেও কথা হয়েছে। খুব দ্রুততার সাথে শুরু করা হবে রাস্তা মেরামতির কাজ।
অন্যদিকে এম ই র জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিপ্লব ব্যানার্জী এদিন সাংবাদিকদের জানান এই অঞ্চলের রাস্তার নীচে বড় নালা আছে। সেখানে কালভার্ট ধসে যাবার ফলে জল জমে মাটি ধসিয়ে দিয়েছে। কবে নাগাদ সম্পূর্ণ মেরামতি সম্ভব, সে বিষয়ে কোনও আশ্বাসবাণী দিতে রাজি হন নি তিনি। তিনি বলেন এখানে সবার আগে কালভার্ট দরকার। কাজ শেষ করার জন্য টেন্ডারও দরকার। সমস্তটাই সময় সাপেক্ষ। তবে আপাতত ধসে যাওয়া রাস্তা মেরামত করে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এই নিয়ে একবছরে তিনবার ধস নামলো জাতীয় সড়কে। যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন গুনছে সাধারণ মানুষ। যানজট আর দুর্ভোগ তো রোজকার ঘটনা। প্রশাসনের তরফে খুব বেশি আশার কথা শোনা গেল না এদিনও। বিপদ মাথায় নিয়েই এভাবে কতদিন যাতায়াত করতে হবে নিত্যযাত্রীদের, প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।